চরচা প্রতিবেদক

শেষ আটের সম্ভাব্য লাইনআপ সবাই ধরেই রেখেছিলেন ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডের। তবে মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে হলো এবারের বিশ্বকাপের এক অনন্য লড়াই। স্বাগতিক মেক্সিকো আর ইংল্যান্ড রোমাঞ্চ উপহার দিল সবাইকে। সেই থ্রিলারে মেক্সিকোকে ৩–২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল জুড বেলিংহামের। আর অন্যটি হ্যারি কেইনের। সেমিফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলকে হারিয়ে দেওয়া নরওয়ে।
বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক মেক্সিকো প্রবল দর্শক সমর্থন কাজে লাগিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে। পিছিয়ে পড়লেও দমে যায়নি। উল্টো প্রায় ৪৫ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলা ইংল্যান্ডকে যেভাবে চাপে ফেলে দিয়েছিল, তাতে ফল নিজেদের দিকে নিতেও পারত তারা।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই হলুদ কার্ড দেখেন ডেকলান রাইস। ১৫তম মিনিটে প্রথম আক্রমণেই ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডে কঠিন পরীক্ষা নেন রাউল হিমেনেস।
৩৬তম মিনিটে মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম স্তব্ধ করে দেন বেলিংহাম। পিকফোর্ডের থ্রো থেকে বল পেয়েই রাইস তার আর্সেনালের সতীর্থ বুকায়ো সাকাকে ডান প্রান্ত দিতে পাস দেন। তার নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতর অরক্ষিত অবস্থায় থাকা বেলিংহামকে খুঁজে নেয়। হেডে বল জালে পাঠাতে ভুল হয়নি রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডারের।
মেক্সিকোর রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে মিনিট তিনেক বাদে স্কোরলাইন ২-০ করে ফেলেন বেলিংহামই। বক্সের বাইরে থেকে অ্যান্থনি গর্ডন বল বাড়ান বেলিংহামকে। তিনি আবার পাস দেন কেইনকে।
তবে কেইন গোলের জন্য শট না নিয়ে ফের বল দেন বক্সের মাখখানে থাকা বেলিংহামকে, যিনি অনায়াসেই পরাস্ত করেন গোলকিপারকে।
তবে বিরতির আগেই ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। রবার্তো আলভারাদোর নেওয়া ইনসুইং ফ্রি-কিক থেকে বল পান হুলিয়ান কুইনোনেস। ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে প্রথম টাচেই দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করেন এই উইঙ্গার।
৫৪তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে বিপদে ফেলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন জ্যারেল কুয়ানসা। তবে চার মিনিট পরই পেনাল্টি থেকে ইংল্যান্ডের লিড বড় করেন কেইন। তবে লড়াকু ফুটবল খেলা মেক্সিকো দ্রুতই গোল শোধ দেয়। ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন হিমিনেস। মেক্সিকোর এই পেনাল্টিটি আসে ভিএআরের সিদ্ধান্তে।
একজন কম নিয়ে খেলা ইংল্যান্ডকে এরপর আক্রমণের ঢেউ তুলে প্রবল চাপে রাখে মেক্সিকো। আক্রমণ বাদ রিয়ে রক্ষণ সামাল দিতেই বেগ পেতে হচ্ছিল টমাস টুখেলের দলকে। যোগ করা সময়ে দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় শেষ ১৬-তে থেমেছে মেক্সিকোর যাত্রা।

শেষ আটের সম্ভাব্য লাইনআপ সবাই ধরেই রেখেছিলেন ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডের। তবে মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে হলো এবারের বিশ্বকাপের এক অনন্য লড়াই। স্বাগতিক মেক্সিকো আর ইংল্যান্ড রোমাঞ্চ উপহার দিল সবাইকে। সেই থ্রিলারে মেক্সিকোকে ৩–২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল জুড বেলিংহামের। আর অন্যটি হ্যারি কেইনের। সেমিফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলকে হারিয়ে দেওয়া নরওয়ে।
বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক মেক্সিকো প্রবল দর্শক সমর্থন কাজে লাগিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে। পিছিয়ে পড়লেও দমে যায়নি। উল্টো প্রায় ৪৫ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলা ইংল্যান্ডকে যেভাবে চাপে ফেলে দিয়েছিল, তাতে ফল নিজেদের দিকে নিতেও পারত তারা।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই হলুদ কার্ড দেখেন ডেকলান রাইস। ১৫তম মিনিটে প্রথম আক্রমণেই ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডে কঠিন পরীক্ষা নেন রাউল হিমেনেস।
৩৬তম মিনিটে মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম স্তব্ধ করে দেন বেলিংহাম। পিকফোর্ডের থ্রো থেকে বল পেয়েই রাইস তার আর্সেনালের সতীর্থ বুকায়ো সাকাকে ডান প্রান্ত দিতে পাস দেন। তার নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতর অরক্ষিত অবস্থায় থাকা বেলিংহামকে খুঁজে নেয়। হেডে বল জালে পাঠাতে ভুল হয়নি রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডারের।
মেক্সিকোর রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে মিনিট তিনেক বাদে স্কোরলাইন ২-০ করে ফেলেন বেলিংহামই। বক্সের বাইরে থেকে অ্যান্থনি গর্ডন বল বাড়ান বেলিংহামকে। তিনি আবার পাস দেন কেইনকে।
তবে কেইন গোলের জন্য শট না নিয়ে ফের বল দেন বক্সের মাখখানে থাকা বেলিংহামকে, যিনি অনায়াসেই পরাস্ত করেন গোলকিপারকে।
তবে বিরতির আগেই ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। রবার্তো আলভারাদোর নেওয়া ইনসুইং ফ্রি-কিক থেকে বল পান হুলিয়ান কুইনোনেস। ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে প্রথম টাচেই দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করেন এই উইঙ্গার।
৫৪তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে বিপদে ফেলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন জ্যারেল কুয়ানসা। তবে চার মিনিট পরই পেনাল্টি থেকে ইংল্যান্ডের লিড বড় করেন কেইন। তবে লড়াকু ফুটবল খেলা মেক্সিকো দ্রুতই গোল শোধ দেয়। ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন হিমিনেস। মেক্সিকোর এই পেনাল্টিটি আসে ভিএআরের সিদ্ধান্তে।
একজন কম নিয়ে খেলা ইংল্যান্ডকে এরপর আক্রমণের ঢেউ তুলে প্রবল চাপে রাখে মেক্সিকো। আক্রমণ বাদ রিয়ে রক্ষণ সামাল দিতেই বেগ পেতে হচ্ছিল টমাস টুখেলের দলকে। যোগ করা সময়ে দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় শেষ ১৬-তে থেমেছে মেক্সিকোর যাত্রা।