ads

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে এসে ধরা পড়া ৩ আসামি রিমান্ডে

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে এসে ধরা পড়া ৩ আসামি রিমান্ডে
প্রতীকী ছবি

প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চাকরি পেয়ে যোগদানপত্র জমা দিতে এসে 'ফেস ভেরিফিকেশনে' ধরা পড়া চারজনের মধ্যে তিন আসামিকে এক দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত । একই মামলার অপর আসামি মো. আলিমকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এ আদেশ দেন ।

Advertisement

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া তিন আসামি হলেন,মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলী হায়দার (২৯) ও মো. মাসুদ ফকির (৩১) ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল গাফফার আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন । অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন । উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন ।

এর আগে গত রোববার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ওই চারজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় । পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলাটি করেন ।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, গত ৫ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের 'অফিস সহায়ক' (২০তম গ্রেড) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় । বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় । পরবর্তীতে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে গত রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছিল।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের উপস্থিতি ও চেহারা সন্দেহজনক মনে হয় । পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ছবির সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতিতে চেহারা মেলানো হলে (ফেস ভেরিফিকেশন) চরম অসঙ্গতি ধরা পড়ে । ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে তারা এই নিয়োগপত্র পান।

সম্পর্কিত