চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে মুশফিকুর রহমান (২৩) নামে এক যুবক দগ্ধ হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামাদনগর এলাকার ভাঙ্গাপ্রেস পুলিশ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।
মুশফিকুরের বড়ভাই মিনার আহমেদ জানান, বাসার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ হলে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে তার ছোট ভাই মুশফিকুর রহমান দগ্ধ হন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, মুশফিকুর রহমানের শরীরের প্রায় ৩৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তাকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে মুশফিকুর রহমান (২৩) নামে এক যুবক দগ্ধ হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামাদনগর এলাকার ভাঙ্গাপ্রেস পুলিশ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।
মুশফিকুরের বড়ভাই মিনার আহমেদ জানান, বাসার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ হলে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে তার ছোট ভাই মুশফিকুর রহমান দগ্ধ হন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, মুশফিকুর রহমানের শরীরের প্রায় ৩৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তাকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।