বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির বন্ধুস্থানীয় ছোটভাই শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ সাংবাদিকদের তাকে হেফাজতে নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দ্বীপকে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা জানান, তাহসিফ ও দ্বীপ একসঙ্গে ছিলেন। সেই বিষয়ে তথ্য জানতেই তাকে হেফজতে নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। এই ঘটনার পর থেকে এখনো তাহসিফের মোটরসাইকেলের খোঁজ মেলেনি।
তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার দ্বীপ সাংবাদিকদের জানান, তাহসিফের সাথে তার দেখা হয় সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে। তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা হওয়ায় সেটি পরীক্ষা করেন দ্বীপ। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে যান। উত্তরার একটি ওয়ার্কশপে মোটরসাইকেলটি দেখিয়ে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টে ফিরে আসেন।
দ্বীপ বলেন, “এখান থেকে আবার আমরা রুয়াপন কমার্সিয়াল প্রজেক্ট মার্কেটে কুকরুক্কু রেস্টুরেন্টে যাই এবং সেখান থেকে সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার বের হয়ে আলাদা বাইকে বাসায় ফিরি।”
তবে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে তাহসিফ করবী বিল্ডিংয়ের পার্কিং এ আসেন। তার সাথে হাত মেলান নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শাহরিয়ার দ্বীপ। তাহসিফ তার সাথে কথা বলে সাড়ে ছয়টায় মোটরসাইকেলটি ঠেলে ঠেলে বের করেন।
দ্বীপ জানান, তাহসিফ বয়সে তার বড় হলেও তাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বসুলভ।
তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম চরচাকে জানিয়েছেন, তাহসিফ সম্প্রতি নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। সেই কাজ দেখাশোনা করতেন দ্বীপ। দ্বীপ ও তাহসিফের দুজনের পরিবারের মধ্যও সুসর্ম্পক রয়েছে।