গাজীপুরের লায়লা স্টাইলসের কাটিং সেকশনের জুনিয়র লে-ম্যান তৌফিক আলমকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে তদন্ত, বিচার ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একইসঙ্গে আগামী শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শোকসভা ও কালো ব্যাজ সম্বলিত বিক্ষোভ মিছিল এবং ২৭ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় কনভেনশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকার মুক্তিভবনে সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মৈত্রী মিলনায়তনে ‘আন্দোলনারত শ্রমিক সংগঠনসমূহ’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রবীণ শ্রমিকনেতা মনজুরুল আহসান খানের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে তৌফিক আলমের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। সভায় বক্তারা অবিলম্বে তৌফিক হত্যার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত বিচার ও নিহতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। একইসাথে আজ বিকেলে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংগঠনের পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে জানানো হয়, আগামী শুক্রবার বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনরত শ্রমিক সংগঠনসমূহের যৌথ উদ্যোগে শোকসভা, কালো ব্যাজ ধারণ ও পতাকা সম্বলিত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ২৭ নভেম্বর ঢাকায় সকল রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাসহ বিভিন্ন শ্রম সেক্টরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বড় পরিসরে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাংলাদেশ শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হারুন অর রশিদ, গণতান্ত্রিক শ্রমিক আন্দোলনের সদস্য সচিব সুশান্ত সিনহা, জাসদ নেতা হারুন অর রশিদ ভূইয়া, সিপিবি নেতা মাহবুবুল আলম, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নেতা সাদেকুর রহমান শামীম, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের নেতা ইকবাল কবির জাহিদ এবং বিপ্লবী শ্রমিক ফ্রন্টের কামরুজ্জামান ফিরোজসহ গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর ও আশুলিয়া থেকে আগত শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।