চরচা ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েল বাহিনীর হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মাজিদ খাদেমি নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এই হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফ তাদের এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলেছে, আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত হওয়া ইরানের জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা।
সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সময়ই ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র দায় স্বীকার করার পরই ইরান তা নিশ্চিত করেছে।
তবে এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। ইরান নিজেই আগে খাদেমির নিহত হওয়ার খবর ঘোষণা করেছে।
খাদেমি তার পূর্বসূরি মোহাম্মদ কাজেমি নিহত হওয়ার চার দিন পর আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। কাজেমি গত বছরের ১৫ জুন ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন।

মার্কিন-ইসরায়েল বাহিনীর হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মাজিদ খাদেমি নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এই হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফ তাদের এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলেছে, আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত হওয়া ইরানের জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা।
সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সময়ই ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র দায় স্বীকার করার পরই ইরান তা নিশ্চিত করেছে।
তবে এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। ইরান নিজেই আগে খাদেমির নিহত হওয়ার খবর ঘোষণা করেছে।
খাদেমি তার পূর্বসূরি মোহাম্মদ কাজেমি নিহত হওয়ার চার দিন পর আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। কাজেমি গত বছরের ১৫ জুন ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।