চরচা প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় ঝিনাইদ-৩ আসনের সাবেক এমপি নবী নেওয়াজকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহেসানুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান।
গ্রেপ্তার দেখানো শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী সামসুর রহমান বাদল বলেন, “সাবেক এই এমপিকে হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে ইতোমধ্যে রমনা থানা মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। যখন তিনি মুক্তি পাবেন তখনই তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত আরেক শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে। এই মামলার এজাহারেও আসামির নাম নেই। তাকে রাজনৈতিক হয়রানি করার জন্য এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।”
আসামির শারীরিক অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনা করে এই মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করেন আইনজীবী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা সকাল ১১ টার দিকে আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়। নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ অগাস্ট আদাবর থানায় মামলা করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম। গত ১১ এপ্রিল নবী নেওয়াজকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় ঝিনাইদ-৩ আসনের সাবেক এমপি নবী নেওয়াজকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহেসানুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান।
গ্রেপ্তার দেখানো শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী সামসুর রহমান বাদল বলেন, “সাবেক এই এমপিকে হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে ইতোমধ্যে রমনা থানা মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। যখন তিনি মুক্তি পাবেন তখনই তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত আরেক শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে। এই মামলার এজাহারেও আসামির নাম নেই। তাকে রাজনৈতিক হয়রানি করার জন্য এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।”
আসামির শারীরিক অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনা করে এই মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করেন আইনজীবী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা সকাল ১১ টার দিকে আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়। নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ অগাস্ট আদাবর থানায় মামলা করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম। গত ১১ এপ্রিল নবী নেওয়াজকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

স্বজনদের দাবি, রোববার বিকেলে রুনা বেগম স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে নাটোর সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আল-সান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে তাকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে হাসপাতালের মালিক বাবলু রোগীর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেন।