খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার তালিকাভুক্ত কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান ওরফে আরমিন ওরফে দিপুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬-এর একটি দল। গতকাল রোববার ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৬-এর উপঅধিনায়ক মেজর মো. নাজমুল ইসলাম চরচাকে বলেন, একাধিক হত্যা মামলার আসামি আরমান গত কয়েক দিনের পুলিশের তৎপরতায় খুলনা ছেড়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পরিবারসহ অবস্থান নেন। উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আরমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দৌলতপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি শর্টগান এবং ১২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার করা হয়।
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভৈরব নদ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ‘পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি’র নেতা ‘রাজীব হোসেন ওরফে ঘাউড়া রাজীবের’ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই মামলায় আরমান এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি।
এলাকাবাসী ও পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আরমান এক সময়ে দৌলতপুর থানা এলাকার হুমা বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরে নিজেই বাহিনী গঠন করে প্রধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দৌলতপুর থানায় একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।