ads

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলা: সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও দুজন

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলা: সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও দুজন
এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ২৮ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলায় ৯ আসামির বিরুদ্ধে আরও দুজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এ নিয়ে মামলাটিতে ২৮ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী তৌহিদ খান এ তথ্য জানান। 

Advertisement

সাক্ষী দুজন  হলেন এএসআই গ্রীশ চন্দ্র বর্মণ ও এএসআই আজমল হোসেন। 

এদিন জামিনে থাকা আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন। তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দুই সাক্ষী তাদের জবানবন্দি দেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম দুই সাক্ষীকে জেরা করেন। জেরা শেষে আদালত সাক্ষীর জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। 

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুল হাসান, মোহাম্মদ ইশতিয়াক মাহমুদ, নাইমুল হাসান, ফিরোজ মাহমুদ, মীর আমজাদ হোসেন, সাজু ইসলাম, রাজীবুল ইসলাম, শহিদুল আলম খান, সিয়াম ও অলি আহমেদ। 

মার্সা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ২০১৮ সালের ১০ আগস্ট রাতে ড. বদিউল আলম মজুমদার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলাটি করেন। ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আব্দুর রউফ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়।

২০২২ সালের ২৮ মার্চ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই বছরের গত ৪ ডিসেম্বর ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ড. বদিউল আলম মজুমদার, খুশি বেগম ও মাহবুবুল আলম মজুমদার তাদের জবানবন্দিতে জনৈক ইশতিয়াক মাহমুদের নাম উল্লেখ করেন। ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর আদালত এ মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায় থেকে উত্তোলন করে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ঢাকার সিএমএম বরাবর প্রেরণ করেন।

২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালত এ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। অধিকতর তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ড. বদিউল আলম মজুমদারের শ্যালক মোহাম্মদ ইশতিয়াক মাহমুদসহ নয়জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার রাজন সাহা। পরে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরী অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

সম্পর্কিত