চরচা ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও ৮২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা।
স্থানীয় সময় শনিবার পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের একটি গ্রামে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি রয়টার্সকে বলেছেন, “নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ আমরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।”
ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম কম্পাস জানায়, শনিবার ভোরের দিকে পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসিরলাঙ্গু গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। সে সময় অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়ে ছিলেন।
কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। সে সময় অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়ে ছিলেন।
কম্পাস আরও জানায়, নিহত ও আহতের সংখ্যা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে এলাকাটি প্লাবিত ছিল।
আরও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রায় ৩০ হেক্টর (৭৪ একর) জুড়ে বিস্তৃত বলে জানিয়েছে কম্পাস।
সংবাদ অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিসহ চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বলছে, গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা, পশ্চিম সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় এক হাজার ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও ৮২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা।
স্থানীয় সময় শনিবার পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের একটি গ্রামে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি রয়টার্সকে বলেছেন, “নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ আমরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।”
ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম কম্পাস জানায়, শনিবার ভোরের দিকে পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসিরলাঙ্গু গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। সে সময় অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়ে ছিলেন।
কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। সে সময় অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়ে ছিলেন।
কম্পাস আরও জানায়, নিহত ও আহতের সংখ্যা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে এলাকাটি প্লাবিত ছিল।
আরও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রায় ৩০ হেক্টর (৭৪ একর) জুড়ে বিস্তৃত বলে জানিয়েছে কম্পাস।
সংবাদ অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিসহ চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বলছে, গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা, পশ্চিম সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় এক হাজার ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।