চরচা ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক আলোচনায় ‘ভালো অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওমানের মধ্যস্থতায় গতকাল মঙ্গলবার উভয় পক্ষ একটি সম্ভাব্য চুক্তির জন্য কিছু ‘গাইডিং প্রিন্সিপাল’ বা নীতিগত ভিত্তিতে বিস্তৃত সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানান তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, আগের দফার তুলনায় এবার আলোচনা এগিয়েছে এবং এখন একটি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া প্রণয়নের পথে আগানো যাবে। উভয় পক্ষ খসড়া প্রস্তুত করলে তা বিনিময় করে তৃতীয় দফা বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, আলোচনা কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক হলেও ইরান এখনো নির্ধারিত কিছু ‘রেড লাইন’ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলবে, তবে প্রয়োজনে সামরিক বিকল্প খোলা আছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
মূল মতবিরোধের জায়গা হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। ওয়াশিংটন চায় ইরান নিজ ভূখণ্ডে সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করুক। কিন্তু তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ‘শূন্য সমৃদ্ধকরণ’ মেনে নেবে না এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার বাইরে থাকবে।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দুইটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে, যার একটি ইরান উপকূলের প্রায় ৭০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছে। পাল্টা ইরানও হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে এবং হরমুজ প্রণালী অস্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক ইস্যুতে সমঝোতার কিছু সুযোগ থাকলেও পরমাণু ইস্যুতে সমঝোতা এখনো দূরের পথ। তবুও কূটনৈতিক দরজা খোলা থাকায় দুই পক্ষই আপাতত আলোচনার পথেই এগোচ্ছে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক আলোচনায় ‘ভালো অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওমানের মধ্যস্থতায় গতকাল মঙ্গলবার উভয় পক্ষ একটি সম্ভাব্য চুক্তির জন্য কিছু ‘গাইডিং প্রিন্সিপাল’ বা নীতিগত ভিত্তিতে বিস্তৃত সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানান তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, আগের দফার তুলনায় এবার আলোচনা এগিয়েছে এবং এখন একটি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া প্রণয়নের পথে আগানো যাবে। উভয় পক্ষ খসড়া প্রস্তুত করলে তা বিনিময় করে তৃতীয় দফা বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, আলোচনা কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক হলেও ইরান এখনো নির্ধারিত কিছু ‘রেড লাইন’ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলবে, তবে প্রয়োজনে সামরিক বিকল্প খোলা আছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
মূল মতবিরোধের জায়গা হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। ওয়াশিংটন চায় ইরান নিজ ভূখণ্ডে সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করুক। কিন্তু তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ‘শূন্য সমৃদ্ধকরণ’ মেনে নেবে না এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার বাইরে থাকবে।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দুইটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে, যার একটি ইরান উপকূলের প্রায় ৭০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছে। পাল্টা ইরানও হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে এবং হরমুজ প্রণালী অস্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক ইস্যুতে সমঝোতার কিছু সুযোগ থাকলেও পরমাণু ইস্যুতে সমঝোতা এখনো দূরের পথ। তবুও কূটনৈতিক দরজা খোলা থাকায় দুই পক্ষই আপাতত আলোচনার পথেই এগোচ্ছে।