চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেই সঙ্গে আকাশে অল্প উচ্চতায় উড়োজাহাজ উড়তে দেখা গেছে।
আল জাজিরার হাতে আসা ভিডিও ফুটেজে স্থানীয় সময় আজ শনিবার ভোরে কারাকাসে একটি স্থাপনা থেকে আগুনের গোলা ও ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে চিলির সান্তিয়াগো থেকে আল জাজিরার লুসিয়া নিউম্যান জানান, বিস্ফোরণটি কারাকাসের প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফোর্তুনার কাছাকাছি বা তার আশপাশে ঘটে।
নিউম্যান বলেন, “ফোর্তুনা কারাকাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। ওই এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যার পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়।”
এই সংবাদদাতা আরও জানান, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউম্যান বলেন, “এই বিস্ফোরণ কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো আমরা জানি না। একই সঙ্গে এমন সম্ভাবনাও আছে যে, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করা সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোনো অংশের নাশকতার ফলেও এটি ঘটতে পারে।”
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, রাজধানীতে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
গত সোমবার দেশটির একটি ডকিং এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হামলার বিষয়ে নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেননি প্রেসিডেন্ট মাদুরো। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ভেনেজুয়েলা আগ্রহী।
গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়া উপকূলে ‘মাদকবিরোধী অভিযানের’ নামে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ২৬টি সামরিক হামলা চালিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, এসব হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ট্রাম্প মাদক পাচার বন্ধে এই অঞ্চলে স্থল হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এসব অভিযান শিগগিরই শুরু হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেই সঙ্গে আকাশে অল্প উচ্চতায় উড়োজাহাজ উড়তে দেখা গেছে।
আল জাজিরার হাতে আসা ভিডিও ফুটেজে স্থানীয় সময় আজ শনিবার ভোরে কারাকাসে একটি স্থাপনা থেকে আগুনের গোলা ও ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে চিলির সান্তিয়াগো থেকে আল জাজিরার লুসিয়া নিউম্যান জানান, বিস্ফোরণটি কারাকাসের প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফোর্তুনার কাছাকাছি বা তার আশপাশে ঘটে।
নিউম্যান বলেন, “ফোর্তুনা কারাকাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। ওই এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যার পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়।”
এই সংবাদদাতা আরও জানান, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউম্যান বলেন, “এই বিস্ফোরণ কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো আমরা জানি না। একই সঙ্গে এমন সম্ভাবনাও আছে যে, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করা সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোনো অংশের নাশকতার ফলেও এটি ঘটতে পারে।”
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, রাজধানীতে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
গত সোমবার দেশটির একটি ডকিং এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হামলার বিষয়ে নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেননি প্রেসিডেন্ট মাদুরো। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ভেনেজুয়েলা আগ্রহী।
গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়া উপকূলে ‘মাদকবিরোধী অভিযানের’ নামে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ২৬টি সামরিক হামলা চালিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, এসব হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ট্রাম্প মাদক পাচার বন্ধে এই অঞ্চলে স্থল হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এসব অভিযান শিগগিরই শুরু হবে।