চরচা প্রতিবেদক

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ২০০৯ সালের এই আইন সংশোধন অধ্যাদেশ জারি করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল।
আজ বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে সেটি কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
নতুন আইনে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন করে শুধু কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণাই নয়, তাদের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১১ মে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
বিলটির পক্ষে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই বিলটা হরো একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত একটা অ্যামেন্ডমেন্ট।”
বিরোধীদলীয় নেতা বিলটি নিয়ে কিছু সময় চাইলেও স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময়ে আপত্তি না আসায় এই পর্যায়ে আর তা বিবেচনার সুযোগ নেই।
বিলে বলা হয়েছে, বর্তমান আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান না থাকায় আইনটি সময়োপযোগী করতে ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে নতুন আইন আনা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের আইনের ১৮ ধারায় ‘সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে’ শব্দগুলোর পর ‘বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে’ শব্দগুলো যুক্ত হয়েছে।
আর ২০ ধারার সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ধারা ১৮ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকার তাদের অর্থ, সম্পদ বা লেনদেন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ করতে পারবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ ও শাস্তির বিধান রাখতে ২০০৯ সালের আইনটি করা হলেও কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার যুক্তিসঙ্গত কারণ পেলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্ত করতে পারত, কিন্তু তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না।

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ২০০৯ সালের এই আইন সংশোধন অধ্যাদেশ জারি করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল।
আজ বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে সেটি কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
নতুন আইনে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন করে শুধু কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণাই নয়, তাদের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১১ মে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
বিলটির পক্ষে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই বিলটা হরো একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত একটা অ্যামেন্ডমেন্ট।”
বিরোধীদলীয় নেতা বিলটি নিয়ে কিছু সময় চাইলেও স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময়ে আপত্তি না আসায় এই পর্যায়ে আর তা বিবেচনার সুযোগ নেই।
বিলে বলা হয়েছে, বর্তমান আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান না থাকায় আইনটি সময়োপযোগী করতে ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে নতুন আইন আনা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের আইনের ১৮ ধারায় ‘সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে’ শব্দগুলোর পর ‘বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে’ শব্দগুলো যুক্ত হয়েছে।
আর ২০ ধারার সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ধারা ১৮ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকার তাদের অর্থ, সম্পদ বা লেনদেন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ করতে পারবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ ও শাস্তির বিধান রাখতে ২০০৯ সালের আইনটি করা হলেও কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার যুক্তিসঙ্গত কারণ পেলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্ত করতে পারত, কিন্তু তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না।

আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আধুনিক রাখতে হবে।