
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে যা করার আছে নিশ্চয়ই করা হবে: দীনেশ ত্রিবেদী
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “খুব দুঃখের কথা। এ ব্যাপারে যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করব।”

কেনিয়ার সাম্বুরু কাউন্টিতে একটি পর্যটকবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান এবং পাঁচজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার এ ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, হেলিকপ্টারটি উত্তর কেনিয়ার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা ও সাফারি পর্যটনকেন্দ্র লোইসাবা কনজারভেন্সির দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রয়টার্স আর্চার্স পোস্ট থানার ওই প্রাথমিক প্রতিবেদনটি দেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন আমেরিকান নাগরিক ছিলেন। অন্যদিকে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় নিশ্চিত করেছে, দেশটির গোয়েন্দা প্রধান মিশেল সেনসি-কন্তুগি এবং তার স্ত্রী স্টেফানি হলিহানও নিহত হয়েছেন। স্টেফানি হলিহান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, “যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে।”
পুলিশের প্রাথমিক প্রতিবেদনে সেনসি-কন্তুগি ও তার স্ত্রীকে পর্যটক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পর্যটকদের জন্য ভ্রমণের আয়োজন করেছিল বিলাসবহুল পর্যটন সংস্থা অ্যান্ডবিয়ন্ড, তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
কেনিয়া রেডক্রস জানিয়েছে, দুর্গম ভূখণ্ড এবং দুর্ঘটনাস্থলে আগুন লাগার কারণে অনুসন্ধান ও মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “খুব দুঃখের কথা। এ ব্যাপারে যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করব।”

নিহতদের মধ্যে দুজন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বাসিন্দা। তারা হলেন—বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে আলিমুজ্জামান সাজু ও তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেষ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকার।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বিদায় নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শেষ কর্মদিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

অভিযানে সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গল এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৬টি পিস্তল, ৭টি ম্যাগাজিন ও বিভিন্ন ধরনের ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।