রাজশাহী প্রতিনিধি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের যেসব নেতাকর্মীদের জামিন দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে সক্রিয় নেতাদের পুনরায় গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ম. শাহজাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব বলা হয়।
এই চিঠি রেঞ্জাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট–জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের যেসব নেতা-কর্মী জামিনে বের হয়ে সংগঠনকে পুনরায় শক্তিশালী করতে পারেন কিংবা মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে সক্ষম, তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে। একইসাথে এসব নেতারা জামিন পেলেই পুরোনো বা নতুন কোনো মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে যেসব কর্মীর সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা নেই তাদের পুনরায় গ্রেপ্তারের প্রয়োজন নেই বলে নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।
ডিআইজি জানান, এর আগে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। বিষয়টি ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল’ উল্লেখ করে প্রতিটি জেলায় তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে ভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত আইন-কানুন কঠোরভাবে মেনে চলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের যেসব নেতাকর্মীদের জামিন দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে সক্রিয় নেতাদের পুনরায় গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ম. শাহজাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব বলা হয়।
এই চিঠি রেঞ্জাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট–জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের যেসব নেতা-কর্মী জামিনে বের হয়ে সংগঠনকে পুনরায় শক্তিশালী করতে পারেন কিংবা মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে সক্ষম, তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে। একইসাথে এসব নেতারা জামিন পেলেই পুরোনো বা নতুন কোনো মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে যেসব কর্মীর সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা নেই তাদের পুনরায় গ্রেপ্তারের প্রয়োজন নেই বলে নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।
ডিআইজি জানান, এর আগে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। বিষয়টি ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল’ উল্লেখ করে প্রতিটি জেলায় তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে ভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত আইন-কানুন কঠোরভাবে মেনে চলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের।