চরচা ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আবারও দেশটির প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর আল-জাজিরার।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একটি পোস্টে লিখেছেন, “ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালীতে গুলিবর্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন!”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে, ইরান একটি ফরাসি জাহাজ এবং একটি ব্রিটিশ মালবাহী জাহাজে গুলিবর্ষণ করেছে। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, “ইরান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিচ্ছে, যা খুবই অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধের কারণে এটি ইতিমধ্যে বন্ধ রয়েছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে।”
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি লিখেছেন, “আমরা অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ তারা যদি তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।”
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “এগুলো খুব দ্রুত এবং সহজেই ধসে পড়বে। তারা যদি এই চুক্তি গ্রহণ না করে, তবে যা করা প্রয়োজন তা করতে পারা আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।”

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আবারও দেশটির প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর আল-জাজিরার।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একটি পোস্টে লিখেছেন, “ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালীতে গুলিবর্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন!”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে, ইরান একটি ফরাসি জাহাজ এবং একটি ব্রিটিশ মালবাহী জাহাজে গুলিবর্ষণ করেছে। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, “ইরান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিচ্ছে, যা খুবই অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধের কারণে এটি ইতিমধ্যে বন্ধ রয়েছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে।”
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি লিখেছেন, “আমরা অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ তারা যদি তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।”
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “এগুলো খুব দ্রুত এবং সহজেই ধসে পড়বে। তারা যদি এই চুক্তি গ্রহণ না করে, তবে যা করা প্রয়োজন তা করতে পারা আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঝুঁকি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের সীমাবদ্ধতা, এই তিন কারণে আইওসিগুলোর অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ফলে সরকার এখন ‘মডেল পিএসসি ২০২৩’ সংশোধন করে ‘পিএসসি ২০২৬’ আনার মাধ্যমে শর্ত আরও বিনিয়োগবান্ধব করার পথে হাঁটছে।