বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে দোকান ভাঙচুর, হামলা এবং দুই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে । গত সোমবার রাতে নতুন বাজার মরকখোলা পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় আহত দুই নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে এক নারী বলেন, “দুপুরে কাউনিয়ার বাগানবাড়ী এলাকায় ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল। যাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়েছে, তারা আমাদের রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া করে এমন অভিযোগ তুলে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীরা রেস্তোরাঁয় হামলা চালান।”
ওই নারী আরও বলেন, “৩০ থেকে ৩৫টি মোটরসাইকেলে করে ৭০ থেকে ৮০ জন লোক এসে হামলা চালায়। এ সময় আমাকে এবং আমার বোনকে শাড়ি ধরে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। সবার সামনে আমাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, চুল ধরে টানতে টানতে রাস্তায় ফেলে লাথি মারা হয়েছে। আমার দোকানের খাবার রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”
এ ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। তারা নতুন বাজার সড়ক অবরোধ করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। পরে পুলিশ ও মহানগর ছাত্রদলের নেতারা বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে স্থানীয়রা অভিযুক্ত বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, “সোমবার দুপুরে আমাদের বিএম কলেজ ছাত্রদলের কর্মী, গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকে মরকখোলা পুলের নিচে একদল সন্ত্রাসী বেধড়ক মারধর করে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বিএম কলেজের এক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে অভিযোগ দিতে থানায় যাচ্ছিলেন। থানায় যাওয়ার পথে একই স্থানে হামলাকারীদের একটি গ্রুপ তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানতে পেরেছি। আমরা কারও ওপর কোনো হামলা করিনি। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।”
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, “ছাত্রদল কখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। যদি ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কেউ নারীদের ওপর হামলা বা শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, “দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বরিশালে ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে দোকান ভাঙচুর, হামলা এবং দুই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে । গত সোমবার রাতে নতুন বাজার মরকখোলা পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় আহত দুই নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে এক নারী বলেন, “দুপুরে কাউনিয়ার বাগানবাড়ী এলাকায় ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল। যাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়েছে, তারা আমাদের রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া করে এমন অভিযোগ তুলে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীরা রেস্তোরাঁয় হামলা চালান।”
ওই নারী আরও বলেন, “৩০ থেকে ৩৫টি মোটরসাইকেলে করে ৭০ থেকে ৮০ জন লোক এসে হামলা চালায়। এ সময় আমাকে এবং আমার বোনকে শাড়ি ধরে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। সবার সামনে আমাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, চুল ধরে টানতে টানতে রাস্তায় ফেলে লাথি মারা হয়েছে। আমার দোকানের খাবার রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”
এ ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। তারা নতুন বাজার সড়ক অবরোধ করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। পরে পুলিশ ও মহানগর ছাত্রদলের নেতারা বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে স্থানীয়রা অভিযুক্ত বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, “সোমবার দুপুরে আমাদের বিএম কলেজ ছাত্রদলের কর্মী, গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকে মরকখোলা পুলের নিচে একদল সন্ত্রাসী বেধড়ক মারধর করে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বিএম কলেজের এক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে অভিযোগ দিতে থানায় যাচ্ছিলেন। থানায় যাওয়ার পথে একই স্থানে হামলাকারীদের একটি গ্রুপ তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানতে পেরেছি। আমরা কারও ওপর কোনো হামলা করিনি। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।”
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, “ছাত্রদল কখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। যদি ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কেউ নারীদের ওপর হামলা বা শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, “দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”