চরচা ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে কালো পতাকা মিছিল করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।
আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে বারিক বিল্ডিং মোড় পর্যন্ত এ কলো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত বলেন, ‘‘এনসিটি নির্মাণ করা হয়েছে বন্দরের খরচে মানে জনগণের টাকায়। তাহলে জনগণের টাকায় গড়া একটি টার্মিনাল কেন বিদেশি অপারেটরকে দিতে হবে। অবিলম্বে ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’’
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির এবং জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মো. মাসুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বর্পূণ টার্মিনাল এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গত অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়।
একই দাবিতে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদসহ (স্কপ) বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে এনসিটি ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লাগাতর ধর্মঘটের ডাকও দেয়া হয়।
আন্দোলনের মুখে সরকার সেসময় ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া থেকে পিছু হটে। সম্প্রতি এনসিটি ও সিসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়া নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ায় বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের চালু চারটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই থেকে এনসিটি পরিচালনা করছে নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে কালো পতাকা মিছিল করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।
আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে বারিক বিল্ডিং মোড় পর্যন্ত এ কলো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত বলেন, ‘‘এনসিটি নির্মাণ করা হয়েছে বন্দরের খরচে মানে জনগণের টাকায়। তাহলে জনগণের টাকায় গড়া একটি টার্মিনাল কেন বিদেশি অপারেটরকে দিতে হবে। অবিলম্বে ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’’
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির এবং জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মো. মাসুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বর্পূণ টার্মিনাল এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গত অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়।
একই দাবিতে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদসহ (স্কপ) বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে এনসিটি ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লাগাতর ধর্মঘটের ডাকও দেয়া হয়।
আন্দোলনের মুখে সরকার সেসময় ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া থেকে পিছু হটে। সম্প্রতি এনসিটি ও সিসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়া নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ায় বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের চালু চারটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই থেকে এনসিটি পরিচালনা করছে নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নকশা অনুসারে ব্রিজের ঢালাইয়ের পুরুত্ব ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সাড়ে ৩ ইঞ্চিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। একইসঙ্গে প্রতি ৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৬ ইঞ্চি প্রস্থ পরপর রড ব্যবহার করার বিধান থাকলেও নির্মাণকাজে প্রায় এক ফুট পরপর রড বসানো হয়েছে।