রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে সাদাপোশাকের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে রাঙামাটি সদরের জেলা পরিষদের সামনে থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার সঙ্গে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমনকেও আটক করা হয় বলে জানা গেছে।
আটক সৈকতের এক সহকর্মী চরচাকে বলেন, জেলা পরিষদ এলাকা থেকে আগে ছাত্রদলের সাবেক নেতা আলী আকবরকে আটক করা হয়। পরে পরিষদের ভেতরে থাকা সৈকতকেও তারা আটক করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জেলা পরিষদের সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মাইক্রোবাসের পাশে সাংবাদিক সৈকতের সঙ্গে চার ব্যক্তিকে কথা বলতে দেখা গেছে। তাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পর সৈকতকে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। পরে গাড়িটিকে চলে যেতে দেখা যায়।
রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রকিব চরচাকে বলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল শাহবাগ থানার একটি মামলায় তাদের নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বললেও আমাদের বিস্তারিত জানায়নি তারা।
এ বিষয়ে সৈকতের স্ত্রী তুষি বড়ুয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।