চরচা ডেস্ক

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আইন মন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন, তা আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনার পর স্পষ্ট হবে।”
এর আগে সকালে আপিল বিভাগ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধানকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং গণভোট (রেফারেন্ডাম) পদ্ধতি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিতভাবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।”
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের ফসল। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের তত্ত্বাবধানকারী অন্তর্বর্তী সরকারের ধারণা থেকেই এই ব্যবস্থার বিকাশ ঘটে।
আইন মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংবিধানিক কাঠামো প্রবর্তন করেছিল, যাতে জাতীয় নির্বাচন পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে এসেছে।
আসাদুজ্জামান বলেন, “আমাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—‘আমি আমার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব।’ আমরা রাজনৈতিকভাবে সেই ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ এবং আমাদের বিশ্বাস, এই লক্ষ্য অর্জনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিকল্প নেই।”

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আইন মন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন, তা আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনার পর স্পষ্ট হবে।”
এর আগে সকালে আপিল বিভাগ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধানকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং গণভোট (রেফারেন্ডাম) পদ্ধতি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিতভাবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।”
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের ফসল। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের তত্ত্বাবধানকারী অন্তর্বর্তী সরকারের ধারণা থেকেই এই ব্যবস্থার বিকাশ ঘটে।
আইন মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংবিধানিক কাঠামো প্রবর্তন করেছিল, যাতে জাতীয় নির্বাচন পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে এসেছে।
আসাদুজ্জামান বলেন, “আমাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—‘আমি আমার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব।’ আমরা রাজনৈতিকভাবে সেই ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ এবং আমাদের বিশ্বাস, এই লক্ষ্য অর্জনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিকল্প নেই।”