সিলেটে চিকিৎসক ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের রহস্যজনক মৃত্যুর ১১ দিন পর মৌলভীবাজারে তার বাবা পূর্ণেন্দু চক্রবর্তীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘ভটের ফার্মেসি’-এর দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুর্ণেন্দু চক্রবর্তী পরিবার নিয়ে মৌলভীবাজারের ওই ভবনেই বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে ঘরের ভেতর থেকে পূর্ণেন্দু চক্রবর্তীর সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভেতরের দরজার খিল ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। শুক্রবার দিবাগত রাতেই ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শনিবার জানান, প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, একমাত্র ছেলেকে হারানোর পর থেকেই পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী প্রচণ্ড বিমর্ষ ছিলেন। সন্তানের শোকেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের (৩১) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।