বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো গোপন এজেন্ডা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির।
বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক ‘এভিয়েশন হাব’-এ পরিণত করার লক্ষ্যেই প্রয়োজন অনুযায়ী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের এভিয়েশন হাব হতে হলে উড্ডয়ন বহর বাড়াতে হবে। এর পেছনে অন্য কিছু নেই, কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করে।”
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক নিউ ইয়র্ক সফরকালে মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তি সই করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
গত এপ্রিলে বিমানের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ৩.৭ বিলিয়ন (৩৭০ কোটি) ডলার মূল্যের ১৪টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের পৃথক চুক্তি হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের অবস্থান ও জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যকে অত্যন্ত প্রশংসিত, সফল ও অর্থবহ সফর বলে বর্ণনা করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আন্তঃসরকার সংস্থা বিষয়ক সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহীদুল করিম উপস্থিত ছিলেন।