চরচা প্রতিবেদক

১৭তম ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসের মিডল স্টাম্প লাইনের ডেলিভারি, মাহমুদুল হাসান জায়গায় দাঁড়িয়ে লেগ সাইডে উড়িয়ে মারলেন চার। এই শটেই পূর্ণ হয় ফিফটি। গোটা ইনিংসে শুধু এই শটটাই যেন সিলেট টেস্টে তাকে খেলানো নিয়ে সব প্রশ্নের জবাব।
প্রচণ্ড চাপ নিয়ে নেমে যে ঝকঝকে ইনিংস খেললেন মাহমুদুল, তেমন ব্যাটিং করার লক্ষ্যেই টেস্ট অভিষেক হয়েছে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানের। তিনি ব্যর্থ হলেও ঠিক তার ভূমিকাটাই, অর্থাৎ ইতিবাচক ব্যাটিং করেই যেন নিজেকে ফিরে পেলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাহমুদুলের ফিফটিতে বাংলাদেশের লিড বেড়ে হয়েছে ১৫৬ রান। আর শেষবেলায় মুমিনুলের বিদায়ে স্কোর দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেটে ১১০। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে গিয়েছিল ২৩৬ রানে।
ইনিংসের শুরুতে অতি সাবধানী ব্যাটিং থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যেই তানজিদকে খেলাচ্ছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি সেই কাজটা করতে পারেননি। করতে পেরেছেন মাত্র ৪ রান। মাত্র ৪৬ রানের লিড নিয়ে ওই সময়ে কিছুটা চাপেই ছিল স্বাগতিকরা। তবে বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতা খোলা মাহমুদুল বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করে পাল্টা চাপে ফেলে দেন পাকিস্তানকে।
ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে মাহমুদুল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের অধিকাংশ রানই করেছেন চার মেরে। এখানেও চিত্রটা ছিল একই। পাকিস্তানের পেসারদের বিপক্ষে কখনও ঝুঁকি নিয়েছেন, আবার কখনও বাজে বলে শাস্তি দিয়েছেন। তাতে ওভারপ্রতি প্রায় ৫ রান করে তোলে বাংলাদেশ। আর এতে বড় ভূমিকা রাখেন মাহমুদুলই। মাত্র ৫৮ বলেই তুলে ফেলেন অর্ধশতক।
এতে মুমিনুলের অবদানও কম নয়। তিনি অবশ্য ব্যাট করে গেছেন নিজের স্বাভাবিক গতিতেই। ৭৬ রানের জুটির ইতি ঘটে মাহমুদুলের বিদায়ে। আব্বাসের বলে ৫২ রানে আউট হলেও তার আগে ৮১.২৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে কাজটা করে দিয়ে গেছেন তিনি।
নাজমুল হোসেন (১৩*) ও মুমিনুল দিনের খেলা শেষ করার কাজটা ভালোভাবেই করে ফেলেছিলেন। তবে একদম শেষ বলে গিয়ে বাঁধে বিপত্তি। খুররম শাহজাদের বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মুমিনুল (৩০)।

১৭তম ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসের মিডল স্টাম্প লাইনের ডেলিভারি, মাহমুদুল হাসান জায়গায় দাঁড়িয়ে লেগ সাইডে উড়িয়ে মারলেন চার। এই শটেই পূর্ণ হয় ফিফটি। গোটা ইনিংসে শুধু এই শটটাই যেন সিলেট টেস্টে তাকে খেলানো নিয়ে সব প্রশ্নের জবাব।
প্রচণ্ড চাপ নিয়ে নেমে যে ঝকঝকে ইনিংস খেললেন মাহমুদুল, তেমন ব্যাটিং করার লক্ষ্যেই টেস্ট অভিষেক হয়েছে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানের। তিনি ব্যর্থ হলেও ঠিক তার ভূমিকাটাই, অর্থাৎ ইতিবাচক ব্যাটিং করেই যেন নিজেকে ফিরে পেলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাহমুদুলের ফিফটিতে বাংলাদেশের লিড বেড়ে হয়েছে ১৫৬ রান। আর শেষবেলায় মুমিনুলের বিদায়ে স্কোর দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেটে ১১০। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে গিয়েছিল ২৩৬ রানে।
ইনিংসের শুরুতে অতি সাবধানী ব্যাটিং থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যেই তানজিদকে খেলাচ্ছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি সেই কাজটা করতে পারেননি। করতে পেরেছেন মাত্র ৪ রান। মাত্র ৪৬ রানের লিড নিয়ে ওই সময়ে কিছুটা চাপেই ছিল স্বাগতিকরা। তবে বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতা খোলা মাহমুদুল বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করে পাল্টা চাপে ফেলে দেন পাকিস্তানকে।
ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে মাহমুদুল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের অধিকাংশ রানই করেছেন চার মেরে। এখানেও চিত্রটা ছিল একই। পাকিস্তানের পেসারদের বিপক্ষে কখনও ঝুঁকি নিয়েছেন, আবার কখনও বাজে বলে শাস্তি দিয়েছেন। তাতে ওভারপ্রতি প্রায় ৫ রান করে তোলে বাংলাদেশ। আর এতে বড় ভূমিকা রাখেন মাহমুদুলই। মাত্র ৫৮ বলেই তুলে ফেলেন অর্ধশতক।
এতে মুমিনুলের অবদানও কম নয়। তিনি অবশ্য ব্যাট করে গেছেন নিজের স্বাভাবিক গতিতেই। ৭৬ রানের জুটির ইতি ঘটে মাহমুদুলের বিদায়ে। আব্বাসের বলে ৫২ রানে আউট হলেও তার আগে ৮১.২৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে কাজটা করে দিয়ে গেছেন তিনি।
নাজমুল হোসেন (১৩*) ও মুমিনুল দিনের খেলা শেষ করার কাজটা ভালোভাবেই করে ফেলেছিলেন। তবে একদম শেষ বলে গিয়ে বাঁধে বিপত্তি। খুররম শাহজাদের বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মুমিনুল (৩০)।