চরচা ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের দুই সদস্যকে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একজন মোটরসাইকেল আরোহী 'অশালীনভাবে স্পর্শ' করেছেন বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, দলের নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়রা ওডিআই মহিলা বিশ্বকাপ ২০২৫-এ খেলার জন্য ভারতে অবস্থান করছে। খেলোয়াড়রা তাদের হোটেল থেকে একটি ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইর তথ্য অনুযায়ী, খাজরানা রোড এলাকায় ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে পুলিশ গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করেছে। অস্ট্রেলিয়া দলের পক্ষ থেকে সিকিউরিটি ম্যানেজার ড্যানি সিমন্স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের সূত্র ধরে আকিল খান নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোটরবাইকের নম্বরটি টুকে নেওয়ায় পুলিশ অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারে। সহকারী পুলিশ কমিশনার হিম্মানি মিশরা দুই খেলোয়াড়ের বয়ান রেকর্ড করেন।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর ধারা ৭৪ এবং ধারা ৭৮ এর অধীনে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে,আকিল খানের বিরুদ্ধে অতীতেও অপরাধের মামলা রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের দুই সদস্যকে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একজন মোটরসাইকেল আরোহী 'অশালীনভাবে স্পর্শ' করেছেন বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, দলের নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়রা ওডিআই মহিলা বিশ্বকাপ ২০২৫-এ খেলার জন্য ভারতে অবস্থান করছে। খেলোয়াড়রা তাদের হোটেল থেকে একটি ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইর তথ্য অনুযায়ী, খাজরানা রোড এলাকায় ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে পুলিশ গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করেছে। অস্ট্রেলিয়া দলের পক্ষ থেকে সিকিউরিটি ম্যানেজার ড্যানি সিমন্স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের সূত্র ধরে আকিল খান নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোটরবাইকের নম্বরটি টুকে নেওয়ায় পুলিশ অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারে। সহকারী পুলিশ কমিশনার হিম্মানি মিশরা দুই খেলোয়াড়ের বয়ান রেকর্ড করেন।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর ধারা ৭৪ এবং ধারা ৭৮ এর অধীনে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে,আকিল খানের বিরুদ্ধে অতীতেও অপরাধের মামলা রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।