চরচা ডেস্ক

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে কলকাতার বাংলা পত্রিকা ‘এই সময়’-এ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষাৎকারটি ‘ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া’ বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।
আজ বুধবার এক বিবৃতিতে বিএনপি বলেরেছ, তাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল কোনো বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি।
বুধবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভারতের কলকাতার বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘এই সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বলে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে চান ফখরুল’ শিরোনামে গতকাল ওই পত্রিকায় তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়, যা ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব কোনো বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দল ও মহাসচিবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য কল্পনাপ্রসূত সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হয়েছে। বানোয়াট এই বক্তব্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের মনে সন্দেহ ও সংশয় তৈরি করা। উল্লেখিত বিদেশি বাংলা গণমাধ্যমে প্রকাশিত অসত্য বক্তব্য সম্পর্কে দেশের জনগণ ও দলের নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
মির্জা ফখরুলের ওই সাক্ষাৎকারটি কলকাতার দৈনিক ‘এই সময়’ প্রকাশ করে সোমবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায়। সেখানে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের কাছে ‘৩০টি আসন চেয়েছিল জামায়াত’। বিএনপি এর জবাবে ‘অনেক কম’ সংখ্যার কথা বলেছে। যা জামায়াতের পছন্দ হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ‘এই সময়’ ওই সাক্ষাৎকার আপডেট করে। তাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সংবাদমাধ্যমটির সাংবাদিক অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের ছবিও প্রকাশ করা হয়।
মির্জা ফখরুলের ওই সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “এ ধরনের সম্পূর্ণ অসত্য, অমর্যাদাকর ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বক্তব্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মত প্রবীণ রাজনীতিবিদ দিয়েছেন তা বিশ্বাস করতে আমাদের কষ্ট হয়। এই বক্তব্যের সাথে সত্য ও শিষ্টাচারের কোনো মিল নেই।”

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে কলকাতার বাংলা পত্রিকা ‘এই সময়’-এ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষাৎকারটি ‘ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া’ বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।
আজ বুধবার এক বিবৃতিতে বিএনপি বলেরেছ, তাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল কোনো বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি।
বুধবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভারতের কলকাতার বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘এই সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বলে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে চান ফখরুল’ শিরোনামে গতকাল ওই পত্রিকায় তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়, যা ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব কোনো বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দল ও মহাসচিবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য কল্পনাপ্রসূত সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হয়েছে। বানোয়াট এই বক্তব্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের মনে সন্দেহ ও সংশয় তৈরি করা। উল্লেখিত বিদেশি বাংলা গণমাধ্যমে প্রকাশিত অসত্য বক্তব্য সম্পর্কে দেশের জনগণ ও দলের নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
মির্জা ফখরুলের ওই সাক্ষাৎকারটি কলকাতার দৈনিক ‘এই সময়’ প্রকাশ করে সোমবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায়। সেখানে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের কাছে ‘৩০টি আসন চেয়েছিল জামায়াত’। বিএনপি এর জবাবে ‘অনেক কম’ সংখ্যার কথা বলেছে। যা জামায়াতের পছন্দ হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ‘এই সময়’ ওই সাক্ষাৎকার আপডেট করে। তাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সংবাদমাধ্যমটির সাংবাদিক অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের ছবিও প্রকাশ করা হয়।
মির্জা ফখরুলের ওই সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “এ ধরনের সম্পূর্ণ অসত্য, অমর্যাদাকর ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বক্তব্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মত প্রবীণ রাজনীতিবিদ দিয়েছেন তা বিশ্বাস করতে আমাদের কষ্ট হয়। এই বক্তব্যের সাথে সত্য ও শিষ্টাচারের কোনো মিল নেই।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।