চরচা ডেস্ক

আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড বিষয়ক বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তি হওয়া উচিত এবং হবেই, পাশাপাশি মার্চে গ্রিনল্যান্ড সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ফক্স নিউজের বরাতে এ তথ্য জানায়।
জেফ ল্যান্ড্রি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর একটি চুক্তি হওয়া উচিত এবং সেটি হবেই।”
জেফ ল্যান্ড্রি বিশ্বাস করেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব। বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান, গ্রিনল্যান্ড শাসনের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত ‘সিরিয়াস’।
ল্যান্ড্রি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ট্রাম্প নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করেছেন। ডেনমার্কের কাছে তিনি কী চান–তা জানিয়ে দিয়েছেন। এখন এটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ওপর নির্ভর করছে যে তারা কীভাবে চুক্তিটি সম্পন্ন করবেন।”
অন্যদিকে, ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। গত বৃহস্পতিবার থেকে জার্মানি ও ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সৈন্যরা সেখানে পৌঁছাতে শুরু করে।
প্রায় ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি ডেনমার্কের অধীনে একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। বর্তমানে দ্বীপটির প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্র নীতির দায়িত্ব ডেনমার্ক সরকারের হাতে রয়েছে।

আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড বিষয়ক বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তি হওয়া উচিত এবং হবেই, পাশাপাশি মার্চে গ্রিনল্যান্ড সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ফক্স নিউজের বরাতে এ তথ্য জানায়।
জেফ ল্যান্ড্রি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর একটি চুক্তি হওয়া উচিত এবং সেটি হবেই।”
জেফ ল্যান্ড্রি বিশ্বাস করেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব। বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান, গ্রিনল্যান্ড শাসনের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত ‘সিরিয়াস’।
ল্যান্ড্রি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ট্রাম্প নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করেছেন। ডেনমার্কের কাছে তিনি কী চান–তা জানিয়ে দিয়েছেন। এখন এটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ওপর নির্ভর করছে যে তারা কীভাবে চুক্তিটি সম্পন্ন করবেন।”
অন্যদিকে, ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। গত বৃহস্পতিবার থেকে জার্মানি ও ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সৈন্যরা সেখানে পৌঁছাতে শুরু করে।
প্রায় ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি ডেনমার্কের অধীনে একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। বর্তমানে দ্বীপটির প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্র নীতির দায়িত্ব ডেনমার্ক সরকারের হাতে রয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়ানো অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাষ্ট্রকাঠামোতে নাগরিকের ক্ষমতায়নের যে সীমাবদ্ধতা এবং জনগণের ন্যূনতম অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় ঘোষণাপত্রে। একইসঙ্গে জনগণের সংগ্রামের দীর্ঘ ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজ