চরচা ডেস্ক

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিনকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি থানায় অবহিত করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ধানমন্ডি, কাফরুল এবং সাভার থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে ৩৯১টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ধানমন্ডি থানাতেই তাদের বিরুদ্ধে শতাধিক পরোয়ানা ঝুলছিল।
এ ছাড়াও সোমবার অন্য একটি প্রতারণা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের ১৫ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় তারা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।
এর আগে, ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসভবন থেকে এই দম্পতিকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। দীর্ঘ কারাবাসের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে শামীমা নাসরিন এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মোহাম্মদ রাসেল জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিনকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি থানায় অবহিত করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ধানমন্ডি, কাফরুল এবং সাভার থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে ৩৯১টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ধানমন্ডি থানাতেই তাদের বিরুদ্ধে শতাধিক পরোয়ানা ঝুলছিল।
এ ছাড়াও সোমবার অন্য একটি প্রতারণা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের ১৫ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় তারা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।
এর আগে, ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসভবন থেকে এই দম্পতিকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। দীর্ঘ কারাবাসের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে শামীমা নাসরিন এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মোহাম্মদ রাসেল জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।

মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।