নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সারা দেশে একসঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া ও দেশের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণাসহ সাত দফা দাবিতে চট্টগ্রাম শিক্ষার্বোড ঘেরাও করেছেন একদল পরীক্ষার্থী।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার কিছু পরে একদল শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এসময় তারা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে সাত দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। পরবর্তীতে তারা ষোলশহর দুই নম্বর গেইট মোড়ের সড়ক অবরোধ করেন।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “বিভিন্ন দাবিতে কিছু এইচএসসি পরীক্ষার্থী শিক্ষাবোর্ডের সামনে অবস্থান নিয়েছিল। পরে তারা ২ নম্বর গেইট মোড়ে গিয়ে বিক্ষোভ করে। বিকেল চারটা নাগাদ তারা শিক্ষার্বোডের কম্পাউন্ডে অবস্থান নিয়েছে।”
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে, দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের মান ও পাঠক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, যেসব পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড নষ্ট হয়েছে তা পুনরায় ইস্যু ও বাকি পরীক্ষার নতুন করে রুটিন করে যেন প্রস্তুতির জন্য যুক্তিসঙ্গত বিরতি থাকে।
এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কোনোরকম কুরুচির্পূণ, অসম্মানজনক বা অবমাননাকর বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহবান এবং শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা অপমানিত বোধ করায় সেটি বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক জহিরুল হক স্বপন চরচাকে বলেন, “একদল শিক্ষার্থী বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করেছে। তারা চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষবোর্ডে ইতোমধ্যে চারটি পরীক্ষা স্থগিত করেছি।”

সারা দেশে একসঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া ও দেশের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণাসহ সাত দফা দাবিতে চট্টগ্রাম শিক্ষার্বোড ঘেরাও করেছেন একদল পরীক্ষার্থী।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার কিছু পরে একদল শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এসময় তারা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে সাত দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। পরবর্তীতে তারা ষোলশহর দুই নম্বর গেইট মোড়ের সড়ক অবরোধ করেন।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “বিভিন্ন দাবিতে কিছু এইচএসসি পরীক্ষার্থী শিক্ষাবোর্ডের সামনে অবস্থান নিয়েছিল। পরে তারা ২ নম্বর গেইট মোড়ে গিয়ে বিক্ষোভ করে। বিকেল চারটা নাগাদ তারা শিক্ষার্বোডের কম্পাউন্ডে অবস্থান নিয়েছে।”
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে, দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের মান ও পাঠক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, যেসব পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড নষ্ট হয়েছে তা পুনরায় ইস্যু ও বাকি পরীক্ষার নতুন করে রুটিন করে যেন প্রস্তুতির জন্য যুক্তিসঙ্গত বিরতি থাকে।
এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কোনোরকম কুরুচির্পূণ, অসম্মানজনক বা অবমাননাকর বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহবান এবং শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা অপমানিত বোধ করায় সেটি বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক জহিরুল হক স্বপন চরচাকে বলেন, “একদল শিক্ষার্থী বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করেছে। তারা চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষবোর্ডে ইতোমধ্যে চারটি পরীক্ষা স্থগিত করেছি।”

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন।