চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুলকে (২৮) হত্যার নেপথ্যে রয়েছে পূর্বের মারামারি ও আর্থিক লেনদেন। এই দুই কারণে পরিচিতরাই তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার ডিএমপির এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান ব্রিফিংয়ে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ড হওয়ার পর আমরা প্রথমে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করি। প্রথমে আমরা মোহাম্মদপুর ও আশাপাশের এলাকায় অভিযান চালাই। পরে কেরানীগঞ্জ থেকে আমরা এই হত্যাকান্ডের মূল হোতাসহ চারজনকে আটক করি। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আলামত হিসেবে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার জব্দ করা হয়।”
হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে মো. ইবনে মিজান বলেন, “নিহত আসাদুল ও গ্রেপ্তারকৃত আকতারের মধ্যে বেশ কিছুদিন আগে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। যার প্রেক্ষিতে আসাদুলকে আসামি করে একটি মামলা করে আকতার। সেই মামলার আসাদুল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং জেলেও যায়। কিছুদিন আগে আসাদুল জামিনে বের হয়ে আসে। এছাড়া আকতার ও আসাদুলের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত একটি বিরোধও আছে। এই দুইটি কারণে আকতার প্রতিশোধ নিতে আসাদুলকে তারই বন্ধুদের সহায়তায় মধ্যরাতে ডেকে এনে ছুরিকাঘাতে এবং ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বাইরেও আমরা আরও কয়েকজনের নাম পেয়েছি। তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে।”
উপ-পুলিশ কমিশনার আরও জানান, এই ঘটনায় নিহতে চাচাতো বোন বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। সেই মামলায় গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং আমরা আদালতে রিমান্ডের আবেদনও করবো।
এই ঘটনায় জড়িত চারজনকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। তারা হলেন, মো. মুন্না (২৪), আকতার হোসেন (৪৫), মিরাজ ফকির (২২) ও নয়ন ওরফে খোকন (২৪)। তাদের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার এবং নিহতের নামে একাধিক মামলা রয়েছে জানিয়ে ডিসি আরও বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত নিহত আসাদুলের নামে ৬টি মামলা পেয়েছি। এর মধ্যে ৪টি মাদক মামলা, একটি অন্য ধারার মামলা, অন্যটি দ্রুত বিচার আইনের মামলা। গ্রেপ্তারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের ৭টি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ও নয়নের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা পেয়েছি। আকতারের বিরুদ্ধে আমরা এখনো কোনো মামলা পাইনি।”

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুলকে (২৮) হত্যার নেপথ্যে রয়েছে পূর্বের মারামারি ও আর্থিক লেনদেন। এই দুই কারণে পরিচিতরাই তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার ডিএমপির এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান ব্রিফিংয়ে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ড হওয়ার পর আমরা প্রথমে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করি। প্রথমে আমরা মোহাম্মদপুর ও আশাপাশের এলাকায় অভিযান চালাই। পরে কেরানীগঞ্জ থেকে আমরা এই হত্যাকান্ডের মূল হোতাসহ চারজনকে আটক করি। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আলামত হিসেবে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার জব্দ করা হয়।”
হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে মো. ইবনে মিজান বলেন, “নিহত আসাদুল ও গ্রেপ্তারকৃত আকতারের মধ্যে বেশ কিছুদিন আগে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। যার প্রেক্ষিতে আসাদুলকে আসামি করে একটি মামলা করে আকতার। সেই মামলার আসাদুল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং জেলেও যায়। কিছুদিন আগে আসাদুল জামিনে বের হয়ে আসে। এছাড়া আকতার ও আসাদুলের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত একটি বিরোধও আছে। এই দুইটি কারণে আকতার প্রতিশোধ নিতে আসাদুলকে তারই বন্ধুদের সহায়তায় মধ্যরাতে ডেকে এনে ছুরিকাঘাতে এবং ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বাইরেও আমরা আরও কয়েকজনের নাম পেয়েছি। তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে।”
উপ-পুলিশ কমিশনার আরও জানান, এই ঘটনায় নিহতে চাচাতো বোন বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। সেই মামলায় গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং আমরা আদালতে রিমান্ডের আবেদনও করবো।
এই ঘটনায় জড়িত চারজনকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। তারা হলেন, মো. মুন্না (২৪), আকতার হোসেন (৪৫), মিরাজ ফকির (২২) ও নয়ন ওরফে খোকন (২৪)। তাদের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার এবং নিহতের নামে একাধিক মামলা রয়েছে জানিয়ে ডিসি আরও বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত নিহত আসাদুলের নামে ৬টি মামলা পেয়েছি। এর মধ্যে ৪টি মাদক মামলা, একটি অন্য ধারার মামলা, অন্যটি দ্রুত বিচার আইনের মামলা। গ্রেপ্তারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের ৭টি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ও নয়নের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা পেয়েছি। আকতারের বিরুদ্ধে আমরা এখনো কোনো মামলা পাইনি।”