চরচা প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে চলমান সহিংসতার নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
সংস্থাটি মনে করে সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও বিশৃঙ্খলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন এলাকায় মনোনয়নপ্রত্যাশী ও দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ব্যানার–ফেস্টুন ছেঁড়া, মহাসড়ক অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, বাড়িঘর ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনা বেড়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর ও সংস্থার নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, গত চার মাসে সারা দেশে অন্তত ১১৩টি সহিংসতার ঘটনায় ৯৮১ জন আহত ও ৫ জন নিহত হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– গতকাল বুধবার শেরপুর–৩ আসনে বিএনপি–জামায়াতের সংঘর্ষে শতাধিক আহত ও জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হন। গত ১৬ জানুয়ারি ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে নজরুল ইসলাম নামে এক সমর্থক নিহত হন।
এছাড়া গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামে নির্বাচনী গণসংযোগে গুলিতে নিহত হন বিএনপি কর্মী সরওয়ার হোসেন বাবলা। ময়মনসিংহ–৩ আসনে মনোনয়ন নিয়ে সংঘর্ষে নিহত হন ছাত্রদল কর্মী তানজিন আহমেদ।
এইচআরএসএস জানায়, নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া নারী কর্মীরাও হামলা, হেনস্তা, হিজাব খুলতে জোরাজুরি, সাইবার বুলিংসহ নানামুখী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।
সংস্থাটি অভিযোগ করে, প্রার্থীদের আক্রমণাত্মক বক্তব্য, হুমকি-ধমকি, অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতিই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। অতীতের মতো এবারও একই সহিংসতার পুনরাবৃত্তি গভীর উদ্বেগজনক।
এইচআরএসএস সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে সব রাজনৈতিক দলকে সহিংসতা বর্জনের আহ্বান জানান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে চলমান সহিংসতার নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
সংস্থাটি মনে করে সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও বিশৃঙ্খলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন এলাকায় মনোনয়নপ্রত্যাশী ও দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ব্যানার–ফেস্টুন ছেঁড়া, মহাসড়ক অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, বাড়িঘর ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনা বেড়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর ও সংস্থার নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, গত চার মাসে সারা দেশে অন্তত ১১৩টি সহিংসতার ঘটনায় ৯৮১ জন আহত ও ৫ জন নিহত হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– গতকাল বুধবার শেরপুর–৩ আসনে বিএনপি–জামায়াতের সংঘর্ষে শতাধিক আহত ও জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হন। গত ১৬ জানুয়ারি ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে নজরুল ইসলাম নামে এক সমর্থক নিহত হন।
এছাড়া গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামে নির্বাচনী গণসংযোগে গুলিতে নিহত হন বিএনপি কর্মী সরওয়ার হোসেন বাবলা। ময়মনসিংহ–৩ আসনে মনোনয়ন নিয়ে সংঘর্ষে নিহত হন ছাত্রদল কর্মী তানজিন আহমেদ।
এইচআরএসএস জানায়, নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া নারী কর্মীরাও হামলা, হেনস্তা, হিজাব খুলতে জোরাজুরি, সাইবার বুলিংসহ নানামুখী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।
সংস্থাটি অভিযোগ করে, প্রার্থীদের আক্রমণাত্মক বক্তব্য, হুমকি-ধমকি, অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতিই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। অতীতের মতো এবারও একই সহিংসতার পুনরাবৃত্তি গভীর উদ্বেগজনক।
এইচআরএসএস সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে সব রাজনৈতিক দলকে সহিংসতা বর্জনের আহ্বান জানান।