চরচা ডেস্ক

মিয়ানমারে বহুল প্রতীক্ষিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আগামী সোমবার নবনির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমান সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং দীর্ঘ দিন ধরেই এই পদের দিকে নজর রাখছেন।
গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে বাহিনীর উপ-প্রধান সো উইন জানান, ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’-এর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের পরপরই সামরিক নেতৃত্বে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। রাজধানী নেপিদোতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাধারণত সামরিক শক্তির বড় প্রদর্শন করা হয়।
বৈঠকে সো উইন বলেন, “নেতৃত্বে যেই আসুক না কেন, তাতমাদো তার পূর্বসূরি নেতা, উপদেষ্টা ও মেন্টরদের দিকনির্দেশনা এবং প্রতিষ্ঠিত সামরিক মতবাদ ও নীতি অনুসরণ করে চলবে।”
গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে সামরিক জান্তা সমর্থিত দল জয়লাভ করার পর থেকেই দেশটিতে রাজনৈতিক পালাবদল শুরু হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক মহল এবং বিরোধীরা এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন, তবে এই জয়ের ফলে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
২০২১ সালের এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই দেশটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ ও চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মতো অত্যন্ত গোপনীয় একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আগেভাগে নেতৃত্বের পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া বেশ বিরল। বিশ্লেষক টিন কিয়াও আয়ে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত রূপান্তর হলেও, এভাবে আগাম তথ্য প্রকাশ ইঙ্গিত দেয় যে—শীর্ষ পদের পুনর্বণ্টন এবং নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সেনাবাহিনীর ভেতরে এক ধরনের উদ্বেগ কাজ করছে।”
৬৯ বছর বয়সী মিন অং হ্লাইং ২০১১ সালে তৎকালীন সামরিক শাসক থান শুয়ের মাধ্যমে সেনাপ্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ার আগে তার উত্তরসূরি হিসেবে কার নাম ঘোষণা করবেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

মিয়ানমারে বহুল প্রতীক্ষিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আগামী সোমবার নবনির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমান সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং দীর্ঘ দিন ধরেই এই পদের দিকে নজর রাখছেন।
গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে বাহিনীর উপ-প্রধান সো উইন জানান, ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’-এর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের পরপরই সামরিক নেতৃত্বে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। রাজধানী নেপিদোতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাধারণত সামরিক শক্তির বড় প্রদর্শন করা হয়।
বৈঠকে সো উইন বলেন, “নেতৃত্বে যেই আসুক না কেন, তাতমাদো তার পূর্বসূরি নেতা, উপদেষ্টা ও মেন্টরদের দিকনির্দেশনা এবং প্রতিষ্ঠিত সামরিক মতবাদ ও নীতি অনুসরণ করে চলবে।”
গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে সামরিক জান্তা সমর্থিত দল জয়লাভ করার পর থেকেই দেশটিতে রাজনৈতিক পালাবদল শুরু হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক মহল এবং বিরোধীরা এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন, তবে এই জয়ের ফলে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
২০২১ সালের এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই দেশটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ ও চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মতো অত্যন্ত গোপনীয় একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আগেভাগে নেতৃত্বের পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া বেশ বিরল। বিশ্লেষক টিন কিয়াও আয়ে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত রূপান্তর হলেও, এভাবে আগাম তথ্য প্রকাশ ইঙ্গিত দেয় যে—শীর্ষ পদের পুনর্বণ্টন এবং নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সেনাবাহিনীর ভেতরে এক ধরনের উদ্বেগ কাজ করছে।”
৬৯ বছর বয়সী মিন অং হ্লাইং ২০১১ সালে তৎকালীন সামরিক শাসক থান শুয়ের মাধ্যমে সেনাপ্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ার আগে তার উত্তরসূরি হিসেবে কার নাম ঘোষণা করবেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।