চরচা ডেস্ক

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা ইরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত বা নস্যাৎ করতে পারে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বর্তমান ও প্রাক্তন মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানানো হলেও, ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে।
উত্তেজনা বৃদ্ধি না পেলেও, দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে ইসরায়েলের অস্বীকৃতি এই ভঙ্গুর চুক্তিটিকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে একজন মার্কিন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওই কর্মকর্তার মতে, লেবাননের একটি অংশ দখল করে রাখা বিপর্যয় ডেকে আনবে এবং ইসরায়েলি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এই পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে তার ‘একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’ যুক্তরাষ্ট্রকে দূরে না ঠেলার জন্য সতর্ক করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে বিশ্বনেতাদের মধ্যে একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পই ইসরায়েলের প্রতি সহানুভূতিশীল।
এদিকে, তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে একজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগেই লেবাননের সরকারি জাতীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৯১২ জন নিহত, ১১ হাজার ৮৭৩ জন আহত এবং ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা এই অঞ্চলের চলমান মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করে তুলছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা ইরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত বা নস্যাৎ করতে পারে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বর্তমান ও প্রাক্তন মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানানো হলেও, ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে।
উত্তেজনা বৃদ্ধি না পেলেও, দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে ইসরায়েলের অস্বীকৃতি এই ভঙ্গুর চুক্তিটিকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে একজন মার্কিন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওই কর্মকর্তার মতে, লেবাননের একটি অংশ দখল করে রাখা বিপর্যয় ডেকে আনবে এবং ইসরায়েলি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এই পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে তার ‘একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’ যুক্তরাষ্ট্রকে দূরে না ঠেলার জন্য সতর্ক করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে বিশ্বনেতাদের মধ্যে একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পই ইসরায়েলের প্রতি সহানুভূতিশীল।
এদিকে, তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে একজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগেই লেবাননের সরকারি জাতীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৯১২ জন নিহত, ১১ হাজার ৮৭৩ জন আহত এবং ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা এই অঞ্চলের চলমান মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করে তুলছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা ইরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত বা নস্যাৎ করতে পারে।