ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গান-বাজনা ও সিনেমা এক প্রকার নিষিদ্ধের মতো অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি অন্যান্য জায়গার চেয়ে ভিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে মধ্যরাতে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘‘স্থানীয় পরিবেশ ও সামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে যেখানে যেসব আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সরকার তা গ্রহণ করেছে।’’
ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকের ওপর হামলার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংঘবদ্ধ একটি দুর্বৃত্ত চক্র অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানের মতো সমাজসেবক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিশানা করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির চেষ্টা করছিল। এই ঘটনায় জড়িত মোট সাতজনের মধ্যে চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘অপরাধীদের পুরো চক্রটি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’’
দেশজুড়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘‘চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদকের গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাঁদাবাজদের পাশাপাশি কোনো পুলিশ সদস্য যদি এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে। অপরাধ দমনে ব্যর্থতা বা অপরাধে ইন্ধন দেওয়ার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’