চরচা প্রতিবেদক

‘কালো টাকা সাদা করার’ সুযোগ বাতিল, ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন এর বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদে পাশ হলো ২০২৬–২৭ অর্থবছরের অর্থবিল।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এই বিল পাসের পাসের জন্য সংসদে তোলেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
অর্থবিলে পরিবর্তনের বড় অংশই এসেছে করমুক্ত আয়সীমা, টিআইএনের বাধ্যবাধকতা, শিল্পে শুল্ক-কর ছাড়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর এবং ডিজিটাল সেবায় ভ্যাট নিয়ে। সেই সঙ্গে সংশোধনীতে খুচরা বিক্রেতাদের পণ্য বিক্রির ওপর অগ্রিম কর বাতিল করা হয়েছে।
করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল
প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা রাখা হয়েছিল। তবে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুপারিশ গ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা টাকা করা হয়।
এছাড়া, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন এর বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
কালো টাকা কালোই থাকবে
এবারের বাজেট প্রস্তাবনায় জমির প্রকৃত মূল্য নিবন্ধনের মাধ্যমে করদাতাদের হয়রানি কমাতে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান আনা হয়েছিল। তবে, অনেকেই এটিকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ হিসেবে দেখছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান প্রত্যাহারের আহ্বান জানালে তা গ্রহণ করা হয়। ফলে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান বাদ দিয়েই পাস হয় অর্থবিল।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর ছাড়
গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানোর শর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর অর্ধেকে নামানোর সুপারিশ করেন তারেক রহমান। এ সুপারিশ গ্রহণ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আয়ে করছাড়
দেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ব্যক্তিদের যে বেতন এবং তাদের আর্থিক পরিসম্পদ খাতে যে অর্জিত আয়, এটা ছাড়া পার্বত্য জেলার পরিচালিত যে সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল প্রস্তাবিত বাজেটে। এ প্রস্তাবনায় সংশোধন করে এই কর রেয়াত সুবিধা পাহাড়ি এবং সমতল উভয় জায়গার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য কার্যকর করা হয়েছে।
পরিবর্তন এসেছে শিল্প খাতে শুল্ক ও কর ছাড়ে
ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাট কমানো হলো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সার্চ ইঞ্জিন ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বর্তমানের ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
এই হার কমানোর সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এতে আমরা বিশ্বাস করি যে যারা অন্যভাবে পেমেন্টটা করছেন তারা উৎসাহিত হবেন প্রপার ওয়েতে পেমেন্টটা করার জন্য।”
টেলিকম, স্বর্ণ ও যানবাহনের উপর প্রস্তাবিত কর কাঠামোয় পরিবর্তন
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের অবস্থান
অর্থবিল পাসের আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।”
মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে কেবল অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে অর্থমন্ত্রী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সমাজের দ্বায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দেন।
আমির খসরু বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৭.২৭ শতাংশ হতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৩.৭০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করলে সংসদে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। একইসাথে পাস হয় পরিচালন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশ নামিয়ে আনার প্রস্তাব।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”

‘কালো টাকা সাদা করার’ সুযোগ বাতিল, ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন এর বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদে পাশ হলো ২০২৬–২৭ অর্থবছরের অর্থবিল।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এই বিল পাসের পাসের জন্য সংসদে তোলেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
অর্থবিলে পরিবর্তনের বড় অংশই এসেছে করমুক্ত আয়সীমা, টিআইএনের বাধ্যবাধকতা, শিল্পে শুল্ক-কর ছাড়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর এবং ডিজিটাল সেবায় ভ্যাট নিয়ে। সেই সঙ্গে সংশোধনীতে খুচরা বিক্রেতাদের পণ্য বিক্রির ওপর অগ্রিম কর বাতিল করা হয়েছে।
করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল
প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা রাখা হয়েছিল। তবে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুপারিশ গ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা টাকা করা হয়।
এছাড়া, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন এর বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
কালো টাকা কালোই থাকবে
এবারের বাজেট প্রস্তাবনায় জমির প্রকৃত মূল্য নিবন্ধনের মাধ্যমে করদাতাদের হয়রানি কমাতে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান আনা হয়েছিল। তবে, অনেকেই এটিকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ হিসেবে দেখছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান প্রত্যাহারের আহ্বান জানালে তা গ্রহণ করা হয়। ফলে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনের বিধান বাদ দিয়েই পাস হয় অর্থবিল।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর ছাড়
গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানোর শর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর অর্ধেকে নামানোর সুপারিশ করেন তারেক রহমান। এ সুপারিশ গ্রহণ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আয়ে করছাড়
দেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ব্যক্তিদের যে বেতন এবং তাদের আর্থিক পরিসম্পদ খাতে যে অর্জিত আয়, এটা ছাড়া পার্বত্য জেলার পরিচালিত যে সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল প্রস্তাবিত বাজেটে। এ প্রস্তাবনায় সংশোধন করে এই কর রেয়াত সুবিধা পাহাড়ি এবং সমতল উভয় জায়গার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য কার্যকর করা হয়েছে।
পরিবর্তন এসেছে শিল্প খাতে শুল্ক ও কর ছাড়ে
ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাট কমানো হলো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সার্চ ইঞ্জিন ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বর্তমানের ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
এই হার কমানোর সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এতে আমরা বিশ্বাস করি যে যারা অন্যভাবে পেমেন্টটা করছেন তারা উৎসাহিত হবেন প্রপার ওয়েতে পেমেন্টটা করার জন্য।”
টেলিকম, স্বর্ণ ও যানবাহনের উপর প্রস্তাবিত কর কাঠামোয় পরিবর্তন
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের অবস্থান
অর্থবিল পাসের আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।”
মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে কেবল অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে অর্থমন্ত্রী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সমাজের দ্বায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দেন।
আমির খসরু বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৭.২৭ শতাংশ হতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৩.৭০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করলে সংসদে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। একইসাথে পাস হয় পরিচালন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশ নামিয়ে আনার প্রস্তাব।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”