Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

হামাস কী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৭: ০৩
হামাস কী

হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন এবং রাজনৈতিক দল। তারা ২০ লাখ ফিলিস্তিনির আবাসস্থল গাজা উপত্যকা শাসন করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হামাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে প্রথম ফিলিস্তিনি বিদ্রোহ (ইন্তিফাদা) চলাকালে। তাদের প্রাথমিক ঘোষণাপত্রে (চার্টার) ইসরায়েলের ধ্বংস এবং ইহুদিদের হত্যার ডাক দেওয়া হয়েছিল।

হামাস ইসরায়েলকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করে না। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ভূমধ্যসাগর থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিন ও আবদেল আজিজ আল-রান্তিসির হাতে গাজায় হামাস প্রতিষ্ঠা পায়। ২০০৪ সালের মার্চে গাজায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন আহমাদ ইয়াসিন। পরের মাসেই নিহত হন আজিজ আল-রান্তিসি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হামাস প্রাথমিকভাবে দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়। প্রথমত, এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা। বিশেষত ইসরায়েলি দখলদারত্বের কারণে ভুক্তভোগী ফিলিস্তিনিদের কল্যাণে কাজ করা।

গত কয়েক দশকে হামাস আত্মঘাতী বোমা হামলা, রকেট হামলা এবং অপহরণসহ বহু সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত । এ কারণে অনেক দেশ হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ডের কারণে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, মিশর ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে হামাস ও এর সামরিক শাখা ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে পরিচিত।

হামাসের বেশ কিছু আঞ্চলিক সমর্থক রয়েছে। তারা হলো ইরান, সিরিয়া ও লেবাননের সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এরা সবাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরায়েল নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের নীতির বিরোধিতা করে হামাস ও তার মিত্ররা।

২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিনি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। পরের বছর প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহ দলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত গৃহযুদ্ধের পর তারা গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়, যেখানে এরপর আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

ফাতাহ হল সেই দল যা পিএ নিয়ন্ত্রণ করে, যা ১৯৯৪ সালে পশ্চিম তীর এবং গাজার সরকার হিসেবে গঠিত হয়েছিল। তবে, ২০০৭ সালে হামাস ক্ষমতা দখল করার পর, তারা ফাতাহ এবং পিএকে সহিংসভাবে গাজা থেকে বিতাড়িত করে।

ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে হামাস এবং ফাতাহ প্রধান দল। ফাতাহ পশ্চিম তীরে এবং হামাস গাজা উপত্যকায় শাসন করে। উভয়ই ফিলিস্তিনি জনগণের নেতৃত্ব দিতে চায়। বছরের পর বছর ধরে, তারা তাদের মতপার্থক্য মিটিয়ে নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ হয়েছে।

সেই থেকে ইসরায়েল ও মিশর গাজার ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। এটি গাজার অর্থনীতি ও মানুষের চলাফেরাকে মারাত্মকভাবে সীমিত করেছে। তবুও হামাস চোরাচালান এবং ইরানের মতো মিত্রদের সমর্থনের মাধ্যমে তাদের সামরিক শক্তি ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে।

হামাস একইসঙ্গে গাজার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করে এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন হিসেবে কাজ করে। এই দ্বৈত পরিচয় তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে, কারণ তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সামরিক কর্মকাণ্ডকে আলাদা করা কঠিন।

২০০৮ সাল থেকে হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাঁচটি যুদ্ধ শুরু করেছে। এর মধ্যে সর্বশেষটি ছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের আক্রমণ, যা ছিল অত্যন্ত জটিল ও পরিকল্পিত। ওইদিন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ভেদ করা হয়, শত শত বেসামরিক লোক নিহত হয় এবং অনেককে অপহরণ করা হয়। এই আক্রমণ হামাসের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল। বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সামরিক শক্তি ইসরায়েলের জন্য এটি এক গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইকোনমিস্ট, রয়টার্স, আল জাজিরা

বিষয়: হামাসফিলিস্তিনগাজা উপত্যকাযুদ্ধইসরায়েল
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।