
ইতিহাসের দুর্ভেদ্য সংকেত ভাঙছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
এই উদাহরণটি ঐতিহাসিক গবেষণায় এআইয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। পুরনো গুপ্তলিপি শুধু গাণিতিকভাবে জটিল হতে পারে না; অনেক সময় সেগুলো হাতে লেখা, অস্পষ্ট বা বিশেষ ধরনের প্রতীকে তৈরি হয়।
চরচা ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী রকম বদল এসেছে? রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহিংসতা এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত ৭ থেকে ১৫ জুন বাংলাদেশ সফর করেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনফরমেশন টিমের (সিপিআইটি) তিন কর্মকর্তা। তাদের এই তথ্য অনুসন্ধান মিশনের উদ্দেশ্য ছিল–বিভিন্ন সূত্র থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। ২০২৪ সালের আগস্টের শুরুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ছিল এই অনুসন্ধানের মূল বিষয়।
রাজনৈতিক পরিবেশে কী পরিবর্তন এসেছে?
প্রতিবেদনে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের তুলনায় রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এখন বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করতে, মত প্রকাশ করতে এবং জনপরিসরে বিতর্কে অংশ নিতে পারছে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পেরিয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিবর্তনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে উন্নতি করেছে বলে বিভিন্ন সূত্র মনে করে।
তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি উদ্বেগমুক্ত নয়। দুর্নীতি, পুলিশের জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা এবং গণঅভ্যুত্থানের পর প্রস্তাবিত ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।
বিরোধী দলগুলো কি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারছে?
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, প্রচার-প্রচারণা, বিক্ষোভ এবং সরকারের সমালোচনা করতে পারছে।
রাজনৈতিক সহিংসতা এখনো ঘটছে। তবে বিভিন্ন সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, এসব ঘটনা সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। স্থানীয় প্রভাব বিস্তার, ব্যবসায়িক স্বার্থ, সম্পদ এবং রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে বেশিরভাগ সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
২০২৬ সালের নির্বাচনকে বিভিন্ন সূত্র মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। তাদের মতে, আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাও কমেছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পরিস্থিতি কী?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। দলটি ক্ষমতায় থাকার সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে দলটির ব্যাপারে জনমনে বিরূপ মনোভাব রয়েছে।
তবে আওয়ামী লীগের সব সমর্থকের পরিস্থিতি এক নয়। দুর্নীতি, সহিংসতা বা দমন-পীড়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, এমন তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থকেরা মোটের ওপর নিজেদের এলাকায় বসবাস করতে পারছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। অন্যদিকে, প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থন জানালে তাদের হয়রানি, সামাজিক বিরূপতা কিংবা সহিংসতার মুখে পড়তে হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়।
আওয়ামী লীগের সাবেক কিছু সদস্য অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন, দেশের অন্য এলাকায় চলে গেছেন অথবা দেশ ছেড়েছেন।
রাজনৈতিক মামলা ও বিচারপ্রক্রিয়ার অবস্থা কী?
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে’–এমন অধিকাংশ ব্যক্তিকেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং বেশিরভাগ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা মিথ্যা হিসেবে বিবেচিত ২১ হাজারের বেশি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুরনো মামলাগুলো পর্যালোচনার কাজও চলছে।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিক্ষোভ চলাকালে কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক রাজনীতিবিদ, কর্মী ও কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি রয়েছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং সাধারণ আদালত, উভয় জায়গাতেই এসব মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, আর অন্যরা বিচার শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আটক রয়েছেন।

ইতিহাসের দুর্ভেদ্য সংকেত ভাঙছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
এই উদাহরণটি ঐতিহাসিক গবেষণায় এআইয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। পুরনো গুপ্তলিপি শুধু গাণিতিকভাবে জটিল হতে পারে না; অনেক সময় সেগুলো হাতে লেখা, অস্পষ্ট বা বিশেষ ধরনের প্রতীকে তৈরি হয়।

ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল আইএমএফ, কেন?
বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা আগামী ১০ বছরে প্রায় ১২ শতাংশ বাড়বে। কিন্তু এই বাড়তি জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান তৈরি করা, তরুণদের দক্ষতার সঙ্গে কাজের চাহিদার সমন্বয় এবং পরিবারভিত্তিক ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ফেললে কী হবে?
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রায় সাত মাস পেরিয়েছে। সামনে মার্কিন মিডটার্ম ইলেকশন। এরই মধ্যে খবর পাওয়া গেছে, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পারমাণবিক বোমার বাইরে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে তারা।

জিম্বাবুয়ে ৩-১ বাংলাদেশ, ওয়ানডেতে কেন এই পতন?
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের দল খুব ভালো কিছু করবে, এমনটাই ছিল সবার প্রত্যাশা। নিজেদের প্রিয় ফরম্যাট বলে পরিচিত, যা ছিল একটা লম্বা সময় ধরে, সেই ওয়ানডে ক্রিকেটে লিটন দাসের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশের নতুন যুগের পথচলা শুরু হওয়ার কথা ছিল এই সিরিজ দিয়ে। কিন্তু ইনজুরির কারণে লিটন পুরো