Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

করোনা কি তাহলে আমেরিকাই ছড়িয়েছিল?

সাইরুল ইসলাম

সাইরুল ইসলাম

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ২১: ৩৫
করোনা কি তাহলে আমেরিকাই ছড়িয়েছিল?

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যে কাদা-ছোড়াছুঁড়ি চলছিল, তা চলতি বছরের জুনে এসে এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে। এতদিন যে আমেরিকাকে এই মহামারির উৎস খোঁজার প্রধান ‘তদন্তকারী’ মনে করা হচ্ছিল, সেই আমেরিকার দিকেই এবার আঙুল তোলার মতো অকাট্য কিছু তথ্য খোদ মার্কিন গোয়েন্দা নথিতেই উন্মোচিত হলো।

Advertisement

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মার্কিন সরকারের ‘অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’ প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের নির্দেশে অবমুক্ত ও ‘ডিক্লাসিফায়েড’ করা বিস্ফোরক গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গোপন ইমেইল চালাচালির নথিপত্র বিশ্ব রাজনীতি ও বৈজ্ঞানিক মহলকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

দীর্ঘদিন গোপন রাখার পর মার্কিন ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কর্তৃক প্রকাশিত ‘ডিক্লাসিফায়েড’ ফাইলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ ও গোপন যোগাযোগের অবিশ্বাস্য কিছু তথ্য সামনে এসেছে। তাদের ওয়েবসাইটেই সেই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

নথিতে দাবি করা হচ্ছে, করোনা মহামারি শুরুর ঠিক পূর্ববর্তী বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস’ (এনআইএআইডি)-এর তৎকালীন প্রধান ড. অ্যান্থনি ফাউসির অধীনে মার্কিন করদাতাদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চীনের উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই ফাউসিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের অন্যতম কুশীলব হিসেবেই আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ফাউসির হাত হয়ে যাওয়া এই অর্থ দিয়ে উহানে ‘গেইন-অব-ফাংশন’ নামক অত্যন্ত বিপজ্জনক ভাইরোলজিক্যাল গবেষণা চালানো হচ্ছিল। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্যই ছিল বাদুড়ের করোনাভাইরাসকে ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিমভাবে রূপান্তর করে মানুষের জন্য আরও বেশি মারাত্মক ও সংক্রামক করে তোলা।

‘ডিক্লাসিফায়েড’ করা ইমেইল ও অভ্যন্তরীণ নথিতে স্পষ্ট দেখা যায়, মার্কিন অর্থায়নে চীনা গবেষকরা করোনাভাইরাসের ‘স্পাইক প্রোটিন’ পরিবর্তনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছিলেন, যাতে এটি অতি দ্রুত মানবদেহে আক্রমণ করতে পারে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বর্তমানে এটিকে করোনা মহামারির মূল উৎস বা ‘স্মোকিং গান’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এই প্রথম আমেরিকা নিজেই নিজের দিকে আঙুল তুলল।

করোনা ছড়ানো সেই চীনা ল্যাবে অর্থায়ন করেছিল যুক্তরাষ্ট্রfauci

সত্যটা আসলে কী

করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছিল চীনের উহানে, এটি সত্য। কিন্তু ১৮ জুনের গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, সেই উহানের ল্যাবে যে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি তৈরি হচ্ছিল, তার মূল ‘ডিজাইন’ ও ‘আর্থিক জোগান’ এসেছিল খোদ আমেরিকার সরকারি তহবিল থেকে। ফলে প্রযুক্তিগত ও আদর্শগতভাবে এই ভাইরাসের উৎপত্তির দায় সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের ওপর বর্তায়।

মিলিটারি ডটকম বলছে, তুলসী গ্যাবার্ডের এই প্রকাশনায় আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্বীকার করেছে যে, বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে মার্কিন সরকারের সরাসরি অর্থায়নে ১২০টিরও বেশি গোপন ‘বায়োল্যাব’ সচল রয়েছে (যার মধ্যে ইউক্রেনের ল্যাবগুলোও রয়েছে)। এই ল্যাবগুলোতে অত্যন্ত বিপজ্জনক প্যাথোজেন বা জীবাণু মজুত রাখা হয়েছে, যা যেকোনো সময় লিক হয়ে বিশ্বজুড়ে মহামারি ছড়াতে পারে। এই নেটওয়ার্কের প্রকাশ পাওয়ায় বিশ্বব্যাপী এই ধারণাই জোরালো হচ্ছে যে, জৈব-গবেষণার আড়ালে আমেরিকাই এই জীবাণু ছড়ানোর বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এই প্রতিবেদনে ফাউসির বিরুদ্ধে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

wuhan 2
ছবি: রয়টার্স

চীন নাকি আমেরিকা, দায় কার?

চীন এতদিন দাবি করে আসছিল, ২০১৯ সালের অক্টোবরের দিকে মার্কিন সামরিক অ্যাথলেটদের মাধ্যমে উহানে ভাইরাসটি প্রবেশ করে কিংবা মেরিল্যান্ডের ‘ফোর্ট ডিট্রিক’ ল্যাব থেকে এটি ছড়িয়েছিল। চীনের সেই সুনির্দিষ্ট দাবি পুরোপুরি প্রমাণিত না হলেও এবারের মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট প্রমাণ করে দিয়েছে যে, আমেরিকা চীনের ওপর দোষ চাপালেও পর্দার আড়ালে তারা নিজেরাই এই ভাইরাসের যৌথ অংশীদার ছিল।

১৮ জুনের এই নথির পর এটি স্পষ্ট যে, করোনা কোনো প্রাকৃতিক মহামারি ছিল না। এটি ছিল মার্কিন অর্থায়নে এবং চীনের মাটিতে যৌথভাবে পরিচালিত একটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফল, যা ল্যাব থেকে অসাবধানতাবশত ছড়িয়ে পড়েছিল।

সুতরাং, আমেরিকা হয়তো সরাসরি নিজ দেশে এটি ছড়ায়নি; কিন্তু যে মারণাত্মক উপাদানের কারণে করোনা বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, সেই ‘দানবটিকে’ ল্যাবরেটরিতে তৈরি করার মূল কারিগর ও অর্থদাতা ছিল স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৬ সালের জুনে এসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এই স্বীকারোক্তি বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বড় বৈজ্ঞানিক ও রাজনৈতিক জালিয়াতিকে উন্মোচিত করল।

বিষয়: আমেরিকাগোয়েন্দা সংস্থাকরোনাল্যাবযুক্তরাষ্ট্রগবেষণাগারগবেষণাচীনজো বাইডেনকরোনাভাইরাস
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া হামলা বন্ধ করলে তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করবে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

  • ২

    রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

  • ৩

    মহাত্মা গান্ধী গুডউইল অ্যাওয়ার্ড পেলেন কালের কণ্ঠের ফারুক মেহেদী

  • ৪

    দিল্লিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ, আটক শত শত

  • ৫

    নাজমুল-মুশফিকের ফিফটিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে