
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় না, আসলে কী-এ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। ভিডিও: তুহিন কান্তি দাস

পর্ব-৩
ঢাবিতে গবেষণা হলেও যতটা হওয়া প্রয়োজন, ততটা হয় না। এ নিয়ে খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মধ্যেই অসন্তোষ আছে। তারা বলছেন, অনেক সংকট ডিঙিয়ে গবেষণা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি উদ্যোগেই গবেষণা চালিয়ে যেতে হয়।

পর্ব–২
এই জমানার ফেসবুকের দিকে তাকালে দেখবেন, বিভিন্ন ট্রল কার্ড বা কোনো একটি গুরুতর তথ্য একজনের কাছ থেকে ধার করে অন্যজন ব্যবহার করে ফের পোস্ট করছে। এই যে ব্যাপারটিই যখন গবেষণা জগতে ঘটে, তখন এটাকে সাইটেশন বলা হয়।

দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গৌরবের স্বাক্ষর রাখলেও গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। কিন্তু কেন, তবে কী করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকেরা?

আমেরিকা হয়তো সরাসরি নিজ দেশে এটি ছড়ায়নি; কিন্তু যে মারণাত্মক উপাদানের কারণে করোনা বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, সেই ‘দানবটিকে’ ল্যাবরেটরিতে তৈরি করার মূল কারিগর ও অর্থদাতা ছিল স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৬ সালের জুনে এসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এই স্বীকারোক্তি বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বড়

একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা তুলনামূলকভাবে সহজ। কিন্তু একটি কার্যকর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন। এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক গবেষণাগার, গবেষণা তহবিল, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শক্তিশালী স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কর্মসূচি এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা।

গত মঙ্গলবার দুপুরে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হলে নিচতলা থেকে হঠাৎ একটি সুড়ঙ্গ বেরিয়ে আসে। সুড়ঙ্গ থেকে অনবরত পানি বের হচ্ছে, যা এলাকাবাসীর কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ফরাসি গবেষণা সংস্থার সতর্কবার্তা
ফ্রান্সের গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট পাস্তুরের শ্বাসযন্ত্র সংক্রমণ কেন্দ্রের প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, বার্ড ফ্লু মিউটেশন হয়ে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ হলে তা কোভিড-১৯-এর চেয়েও মারাত্মক মহামারি ডেকে আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয় মানুষের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য প্রতিক্রিয়া। অ্যামিগডালা ধ্বংস হলে মানুষ দ্রুত মারা যায়, কারণ তারা বিপদ চিনতে পারে না।