
রোহিঙ্গা সহায়তায় ব্র্যাকের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ১৫৫ কোটি টাকার চুক্তি
অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকারে তারা অবিচল।
চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রিকশা পেইন্টিংকে বিশ্বমঞ্চে আরও অনন্য ও মর্যাদাপূর্ণভাবে তুলে ধরতে ইউনেসকো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকায় ইউনেসকোর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে ইউনেসকোর পক্ষে অফিস প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ এবং উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের পক্ষে প্রধান কৌশলগত পরিকল্পনাবিদ সুমন পাটওয়ারী স্বাক্ষর করেন।
ইউনেসকোর ঢাকা কার্যালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সুজান ভাইজ বলেন, “রিকশাচিত্র একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যা শিল্পীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতায় টিকে আছে। এই শিল্পধারাকে বাঁচিয়ে রাখার মূল শক্তি শিল্পীরাই। ইউনেসকো ও উইন্ডমিলের এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা শিল্পীদের জীবন ও জীবিকায় সহায়তা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের দক্ষতা পৌঁছে দিতে সাহায্য করব। যেন এই ঐতিহ্যের চর্চা ও বিকাশ অব্যাহত থাকে।”
সুমন পাটওয়ারী বলেন, “এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের রিকশাচিত্রের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগ তৈরি করতে চাই। সৃজনশীল যোগাযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন বাজারের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে রিকশাচিত্রকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।”
ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র ২০২৩ সালে ইউনেসকোর মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। এই স্বীকৃতির ধারাবাহিকতায় রিকশাচিত্রের সমৃদ্ধ ইতিহাস, নান্দনিকতা ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য সুরক্ষার পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে ইউনেসকো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড।
এই অংশীদারত্বের আওতায় ‘রিকশা পেইন্টিং: এক্সপ্যান্ডিং দ্য ক্যানভাস’ শীর্ষক একটি সমন্বিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে রিকশা পেইন্টিংয়ের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি আয়োজন, রিকশা পেইন্টিংয়ের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্প্রসারণ, বড় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে শিল্পীদের সংযুক্ত করা এবং প্রদর্শনী ও প্রচারণার মাধ্যমে এই শিল্পধারাকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিল্পীদের জীবিকায় সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশের রিকশাচিত্রে ফুটে ওঠা সৃজনশীলতা, গল্প ও চিত্রভাষাকে তুলে ধরাও এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনেসকোর ঢাকার সংস্কৃতি প্রধান কিযী তাহনিন, প্রোগ্রাম সহকারী বিপাশা ত্রিপুরা এবং উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের অপারেশন ও ক্লায়েন্ট সার্ভিস ম্যানেজার মো. মতিউর রহমান রাব্বি।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে জীবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় ইউনেসকোর কাজের সঙ্গে যুক্ত হবে সৃজনশীল যোগাযোগ, জনসচেতনতা, ডিজিটাল প্রচার ও সক্ষমতা উন্নয়নে উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের অভিজ্ঞতা। এই যৌথ কাজের আওতায় শিল্পীদের জ্ঞান ও দক্ষতা নথিবদ্ধ করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ
ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য
সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪
ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

রোহিঙ্গা সহায়তায় ব্র্যাকের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ১৫৫ কোটি টাকার চুক্তি
অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকারে তারা অবিচল।

স্বাস্থ্যসেবায় আরোগ্যের সাথে ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডারদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা দিতে হেলথটেক স্টার্টআপ ও অনলাইন ফার্মেসি আরোগ্য লিমিটেডের সাথে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির হেড অব

দুর্যোগ সহনশীল আবাসনে পিকেএসএফকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি
বাংলাদেশে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের প্রায় ৪০ হাজার পরিবারের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও দুর্যোগ সহনশীল আবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে (পিকেএসএফ) ১০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
বাংলাদেশে স্যামসাংয়ের নতুন রেফ্রিজারেটর, ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৭০০ লিটার
বাংলাদেশের বাজারে নতুন করে স্যামসাং রেফ্রিজারেটরের বিস্তৃত রেঞ্জ এনেছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ ও ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড। নতুন এই রেঞ্জে ছয়টি মডেল আছে, যেগুলোর ধারণক্ষমতা ২৭৫ লিটার থেকে ৭০০ লিটার পর্যন্ত।