চরচা ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের (এমজি) মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা এমজি ব্র্যান্ডের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ মূল্যছাড় পাবেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ। অন্যদিকে এমজির পক্ষে স্বাক্ষর করেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রশিদ ভূইয়া।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মাশনুর চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রাইম ব্যাংক জানায়, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সেবা ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের গাড়ি কেনাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের (এমজি) মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা এমজি ব্র্যান্ডের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ মূল্যছাড় পাবেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ। অন্যদিকে এমজির পক্ষে স্বাক্ষর করেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রশিদ ভূইয়া।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং র্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মাশনুর চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রাইম ব্যাংক জানায়, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সেবা ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের গাড়ি কেনাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন জানান, শুরুতে এটি খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি ছোট বিভাগ হলেও মাত্র ২০ বছরে এক হাজারেরও বেশি সদস্যের একটি বিশাল পরিবার হয়েছে। ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা জার্নালিজম স্কুল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা।