চরচা ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ (জেএমসি) বিভাগের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ‘আমাদের বছর কুড়ি’ শীর্ষক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার সাভারের বিরুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে এ আয়োজন করা হয়।
‘বিশের বাঁশিতে সুদিন আসবে’ প্রতিপাদ্যে জেএমসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান জানান, সাফল্যের বিভিন্ন পথ ও ধারণা থাকে, আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত অ্যালামনাইরা এই প্রক্রিয়ায় দারুণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এই যোগাযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করার জন্য ‘অ্যালামনাই ৩৬০’ নামে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। যা বর্তমান শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই অত্যন্ত সহায়ক হবে।
বিভাগের বিষয়ে অধ্যাপক গোলাম রহমান জানান, একটি শিক্ষাবিভাগের আসল শক্তি ও সাফল্য লুকিয়ে থাকে তার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অর্জনের মধ্যে। গত দুই দশকে জেএমসি বিভাগ শুধু দক্ষ মিডিয়া কর্মীই তৈরি করেনি, বরং দায়িত্বশীল নাগরিক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞও গড়ে তুলেছে।
বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন জানান, শুরুতে এটি খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি ছোট বিভাগ হলেও মাত্র ২০ বছরে এক হাজারেরও বেশি সদস্যের একটি বিশাল পরিবার হয়েছে। ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা জার্নালিজম স্কুল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্যব্য রাখেন, আহ্বায়ক ড. আব্দুল কাবিল খান, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. লিজা শারমিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল ও জেএমসি অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাকিব মৃধা ।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ২০০৬ সালে এই বিভাগটি তার প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ভর্তি করে। পরবর্তীতে ‘জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন’ থেকে নাম পরিবর্তন করে বর্তমান ‘জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ রাখা হয়।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ (জেএমসি) বিভাগের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ‘আমাদের বছর কুড়ি’ শীর্ষক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার সাভারের বিরুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে এ আয়োজন করা হয়।
‘বিশের বাঁশিতে সুদিন আসবে’ প্রতিপাদ্যে জেএমসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান জানান, সাফল্যের বিভিন্ন পথ ও ধারণা থাকে, আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত অ্যালামনাইরা এই প্রক্রিয়ায় দারুণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এই যোগাযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করার জন্য ‘অ্যালামনাই ৩৬০’ নামে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। যা বর্তমান শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই অত্যন্ত সহায়ক হবে।
বিভাগের বিষয়ে অধ্যাপক গোলাম রহমান জানান, একটি শিক্ষাবিভাগের আসল শক্তি ও সাফল্য লুকিয়ে থাকে তার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অর্জনের মধ্যে। গত দুই দশকে জেএমসি বিভাগ শুধু দক্ষ মিডিয়া কর্মীই তৈরি করেনি, বরং দায়িত্বশীল নাগরিক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞও গড়ে তুলেছে।
বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন জানান, শুরুতে এটি খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি ছোট বিভাগ হলেও মাত্র ২০ বছরে এক হাজারেরও বেশি সদস্যের একটি বিশাল পরিবার হয়েছে। ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা জার্নালিজম স্কুল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্যব্য রাখেন, আহ্বায়ক ড. আব্দুল কাবিল খান, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. লিজা শারমিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল ও জেএমসি অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাকিব মৃধা ।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ২০০৬ সালে এই বিভাগটি তার প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ভর্তি করে। পরবর্তীতে ‘জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন’ থেকে নাম পরিবর্তন করে বর্তমান ‘জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ রাখা হয়।

বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন জানান, শুরুতে এটি খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি ছোট বিভাগ হলেও মাত্র ২০ বছরে এক হাজারেরও বেশি সদস্যের একটি বিশাল পরিবার হয়েছে। ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা জার্নালিজম স্কুল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা।