চরচা ডেস্ক

অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাইম ব্যাংক ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি ঢাকায় প্রাইম ব্যাংকের করপোরেট অফিসে এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংক তার কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন বয়সী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করবে।
উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হলো, তরুণ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সব গ্রাহকের জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং এর মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা। এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রাইম ব্যাংকের কর্মীরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ সুবিধা পাবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব বিকাশ, কর্মক্ষেত্রে কার্যকর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং 'নীরা', স্টুডেন্ট ব্যাংকিং এবং অন্যান্য গ্রাহকরাও ব্রিটিশ কাউন্সিলের নির্বাচিত বিভিন্ন সেবায় বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফয়সাল রহমান জানান, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগই সবচেয়ে অর্থবহ বিনিয়োগ। ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে সবাই শিক্ষা অর্জন, বিকাশ এবং নিজের সক্ষমতা বাড়াতে সমান সুযোগ পাবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব মার্কেট-বাংলাদেশ (ইংলিশ অ্যান্ড এক্সামিনেশনস) জুনায়েদ আহমেদ জানান, গত ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রসার ও বৈশ্বিক সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত করতে কাজ করে আসছে। প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সেই প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হলো একটি অগ্রসরমান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমর্থন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন প্রধান শায়লা আবেদিন। ব্রিটিশ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ইংলিশ অ্যান্ড এক্সামিনেশনস বিভাগের চিফ রেভিনিউ অফিসার রবিন ক্লার্ক, ডিরেক্টর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট তাহনী ইয়াসমিন, হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট (বিজনেস অ্যান্ড এডুকেশন) শেহরিন শিবলীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাইম ব্যাংক ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি ঢাকায় প্রাইম ব্যাংকের করপোরেট অফিসে এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংক তার কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন বয়সী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করবে।
উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হলো, তরুণ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সব গ্রাহকের জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং এর মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা। এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রাইম ব্যাংকের কর্মীরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ সুবিধা পাবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব বিকাশ, কর্মক্ষেত্রে কার্যকর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং 'নীরা', স্টুডেন্ট ব্যাংকিং এবং অন্যান্য গ্রাহকরাও ব্রিটিশ কাউন্সিলের নির্বাচিত বিভিন্ন সেবায় বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফয়সাল রহমান জানান, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগই সবচেয়ে অর্থবহ বিনিয়োগ। ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে সবাই শিক্ষা অর্জন, বিকাশ এবং নিজের সক্ষমতা বাড়াতে সমান সুযোগ পাবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব মার্কেট-বাংলাদেশ (ইংলিশ অ্যান্ড এক্সামিনেশনস) জুনায়েদ আহমেদ জানান, গত ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রসার ও বৈশ্বিক সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত করতে কাজ করে আসছে। প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সেই প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হলো একটি অগ্রসরমান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমর্থন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন প্রধান শায়লা আবেদিন। ব্রিটিশ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ইংলিশ অ্যান্ড এক্সামিনেশনস বিভাগের চিফ রেভিনিউ অফিসার রবিন ক্লার্ক, ডিরেক্টর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট তাহনী ইয়াসমিন, হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট (বিজনেস অ্যান্ড এডুকেশন) শেহরিন শিবলীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন জানান, শুরুতে এটি খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি ছোট বিভাগ হলেও মাত্র ২০ বছরে এক হাজারেরও বেশি সদস্যের একটি বিশাল পরিবার হয়েছে। ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা জার্নালিজম স্কুল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা।