বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে (বিইউ) ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, কর্ম, আদর্শ ও মানবতার প্রতি তার অসামান্য অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুল হক (অব.)।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. এম. এনামুল আজিজ, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. উম্মে কুলসুম সুমা এবং আর্কিটেকচার বিভাগের চেয়ারম্যান স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিজনেস ও ইকোনমিক্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সাদিক ইকবাল। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমাম হাসান জুয়েল এবং সোসিওলজি বিভাগের রিফাত হাওলাদার। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি ইব্রাহিম খলিল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুল হক (অব.) হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরে বলেন, মানুষের নিজের লক্ষ্য ও আদর্শের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার ও বিশ্বাস থাকতে হবে, কখনো হতাশ হওয়া যাবে না এবং মহান আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে অন্যদের সঙ্গে সদয়, সম্মানজনক ও সহানুভূতিশীল আচরণ করার শিক্ষাও মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে পাওয়া যায়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।