
জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার
বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং ক্ষুব্ধ ভোটারদের সংগঠিত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার মতে, ২০১৪ সালের পর আর কখনোই তিনি এ নিয়ে এতটা আশাবাদী ছিলেন না।

‘আমরা সবাই ইশরাক হবো, মাদকবিরোধী যুদ্ধে যাব’-এমন লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা গেল গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে। সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সেখানে পৌঁছালে তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদের হাতে ছিল এসব প্ল্যাকার্ড। এ সময় তারা স্লোগান দেন, ‘ইশরাক, তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই।’
পরে সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক যখন প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন উপস্থিত নেতাকর্মীদের একাংশ ‘এই ঘোষণা মানি না’ বলে হট্টগোল শুরু করেন। কেউ কেউ স্লোগান দেন, ‘নগরের মেয়র, ইশরাক হোসেন।’ আবার কেউ তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দেখতে চান বলে জানান।
পিস্তল হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক। কিন্তু তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা এখন আর মন্ত্রিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রেসক্লাবের স্লোগান থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে, এবার কি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে লড়তে পারেন ইশরাক?
ইশরাকের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর ভাষ্য, নগর ভবনকে ঘিরে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ রয়েছে। তার বাবা, ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির প্রয়াত নেতা সাদেক হোসেন খোকার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের বিষয়টিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র পদে নির্বাচনের কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা বলেছেন, ইশরাকের মেয়র পদে নির্বাচন বা নগর ভবনের নেতৃত্ব নিয়ে দলের ভেতরে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের পর নগর ভবন নিয়ে নতুন যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা আপাতত সম্ভাবনা ও জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।
মন্ত্রিত্বের বাইরে ইশরাকের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন?
ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা চরচাকে বলেন, “আপাতত তিনি পদত্যাগ করেছেন। এখন দল বা প্রধানমন্ত্রী তাকে মেয়র নির্বাচনে দেবেন, নাকি কোথায় দেবেন, সেটা উনারা ভালো জানেন। আমরা দলের কর্মী। দলের ভালোটাই আগে দেখি। দল ভালো থাকলে ইশরাক হোসেনরা ভালো থাকে।”
ইশরাকের নিজেদের কোনো আকাঙ্ক্ষা বা পরিকল্পনা রয়েছে কি না, জানতে চাইলে মাহফুজ কবির চরচাকে বলেন, “না, আমাদের কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, তাই হবে।”
তার বক্তব্যে মেয়র পদে যাওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনার কথা নেই। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করার যে অবস্থান তিনি জানিয়েছেন, তাতে ইশরাকের পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আলোচনার সুযোগ থাকছে।
ইশরাকের রাজনৈতিক জীবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। ২০২০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মধ্য দিয়ে ঢাকার নগর রাজনীতিতে তার পরিচিতি বাড়ে। এরপর ২০২৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদ নিয়ে বিরোধের মধ্যে তার সমর্থকেরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। তাকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে আন্দোলনও হয়।
নগর ভবনকেন্দ্রিক ওই আন্দোলনে ইশরাকের অবস্থান তাকে শুধু সংসদীয় রাজনীতির নেতা হিসেবে নয়, ঢাকার নগর নেতৃত্বের দাবিদার হিসেবেও সামনে আনে। তার সমর্থকদের কাছে মেয়র পদটি রাজনৈতিক অধিকার ও সাদেক হোসেন খোকার উত্তরাধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, নগর ভবনের নেতৃত্বের প্রশ্নটি শেষ পর্যন্ত আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়।
সেই প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের পর আবারও মেয়র পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব থেকে সরে গেলে ইশরাকের সামনে দলীয় রাজনীতি ও রাজপথের কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কিন্তু তিনি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মেয়র পদে নির্বাচন করবেন কি না, সেটি এখনো অনিশ্চিত।
পিস্তল-বিতর্ক, তারপর পদত্যাগ
গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে পিস্তল হাতে ইশরাক হোসেনের অংশ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাকে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র ছিল। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

ইশরাকের বক্তব্য, এলাকার মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করতে তিনি অভিযানে গিয়েছিলেন। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে নিতে হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
তবে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়া কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে বিএনপির ভেতরেও প্রশ্ন ওঠে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব, জনপ্রতিনিধির ভূমিকা এবং অস্ত্র ব্যবহারের আইনগত সীমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
গত রোববার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। প্রথমে ইশরাকের প্রেস বিভাগ এ খবর অস্বীকার করে এবং প্রতিবাদলিপি পাঠায়। কিন্তু সোমবার সকালে ইশরাক নিজেই জানান, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন।
দুপুরে প্রেসক্লাবে এসে সেই ঘোষণা দেওয়ার সময় তার সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া ছিল লক্ষ্য করার মতো। তারা পদত্যাগের ঘোষণা মেনে নিতে চাননি। একই সঙ্গে মেয়র পদে তাকে দেখতে চাওয়ার স্লোগানও দিয়েছেন।
এতে বোঝা যায়, সমর্থকদের একাংশের কাছে ইশরাকের রাজনৈতিক পরিচয় কেবল প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত নয়। বরং তাকে ঘিরে নগর নেতৃত্বের যে আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, সেটিও তাদের সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’, নাকি রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি?
বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইশরাকের মেয়র পদে নির্বাচন বা তাকে নগর ভবনের নেতৃত্বে আনার বিষয়ে দলের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে পিস্তল হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনায় সরকার ও দলের ভাবমূর্তির প্রশ্নটি গুরুত্ব পেয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য চরচাকে বলেন, “আপাতত যা হয়েছে, সেটি সরকারের জিরো টলারেন্সের একটা অংশ। সরকার বা দলীয় ইমেজের প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।”
দলের একাংশ সরকারের এই অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তাদের যুক্তি, ক্ষমতাসীন দলের নেতা বা মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও আচরণ ও দায়িত্বের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হলে সরকারের জবাবদিহির বার্তা যায়। একজন জনপ্রতিনিধির উদ্দেশ্য ভালো হলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা উপেক্ষা করা উচিত নয়।
অন্যদিকে, দলের কিছু নেতার মতে, বিষয়টি নিয়ে ইশরাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করা যেত। তাদের প্রশ্ন, একটি বিতর্কিত ঘটনার পর সরাসরি পদত্যাগের ঘোষণা পর্যন্ত পরিস্থিতি গড়ানোর প্রয়োজন ছিল কি না।
এই ভিন্নমত থেকে বোঝা যায়, ইশরাকের পদত্যাগকে সবাই একইভাবে দেখছেন না। কেউ এটিকে সরকারের নীতিগত কঠোরতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, কেউ মনে করছেন, দলীয়ভাবে বিষয়টি সামাল দেওয়ার আরও সুযোগ ছিল।
নগর ভবন নিয়ে সমীকরণ বদলাবে?
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ নিয়ে ইশরাকের রাজনৈতিক অবস্থান অনেক দিনের। ২০২০ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে শুরু করে ২০২৫ সালে নগর ভবনের সামনে সমর্থকদের আন্দোলন-এই ধারাবাহিকতা দেখায়, ঢাকার নগর রাজনীতি তার রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তার বাবা প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ঢাকার মেয়র হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে নগর ভবনের সঙ্গে পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের একটি যোগসূত্রও রয়েছে। ইশরাকের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, এই উত্তরাধিকারের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গা। তবে সেই আগ্রহের বাস্তব রাজনৈতিক পরিণতি কী হবে, তা নির্ভর করবে বিএনপির সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট আইনি-প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর।
প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর ইশরাক যদি নগর রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হন, তাহলে মেয়র পদ নিয়ে তার পুরোনো অবস্থান আবারও আলোচনায় আসতে পারে। এমনকি দলীয় কর্মী হিসেবে রাজপথে থাকার ঘোষণা তাকে সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর সুযোগও দিতে পারে।
বিএনপির জন্য দ্বিমুখী পরীক্ষা
ইশরাকের ঘটনা বিএনপির সামনে দুটি আলাদা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে, দলের একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। অন্যদিকে, ইশরাকের মতো একজন নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও তার সমর্থকদের প্রত্যাশার বিষয়টিও সামাল দিতে হবে।
সরকারের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হবে, অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা নিয়ে তদন্ত কতটা নিরপেক্ষভাবে এগোয় এবং আইন লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইশরাকের পদত্যাগের পেছনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
আরেকটি প্রশ্ন হলো, ইশরাককে ভবিষ্যতে কোন ভূমিকায় দেখা হবে। তিনি কি সংসদীয় ও দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন, নাকি নগর ভবনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে নতুন করে মনোযোগ দেবেন? এ বিষয়ে তার নিজের বক্তব্যের পাশাপাশি বিএনপির সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, পিস্তল-বিতর্কে ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের ভাবমূর্তি ও দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্ন সামনে এনেছে। একই সঙ্গে প্রেসক্লাবে তার সমর্থকদের মেয়র পদ নিয়ে স্লোগান নগর ভবনের পুরোনো বিতর্ককে আবারও আলোচনায় ফিরিয়েছে।
ইশরাক কি মন্ত্রিত্বের অধ্যায় শেষ করে নগর ভবনের রাজনীতিতে ফিরবেন, নাকি দল তাকে অন্য কোনো ভূমিকায় দেখতে চায়—সেটি স্পষ্ট নয়। আপাতত নিশ্চিত হলো, তার পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে বিএনপির সামনে শুধু একজন নেতার ভবিষ্যৎ নয়, ঢাকার নগর নেতৃত্ব নিয়ে দলের অবস্থানও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার
বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং ক্ষুব্ধ ভোটারদের সংগঠিত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার মতে, ২০১৪ সালের পর আর কখনোই তিনি এ নিয়ে এতটা আশাবাদী ছিলেন না।

মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য প্রমাণ নাসার হাতে?
মঙ্গলের ওই পাথরে পাওয়া দাগগুলোর সঙ্গে পৃথিবীতে দেখা এমন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে। ব্রোজের মতে, মঙ্গলে সম্ভাব্য জৈবিক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করার কারণ রয়েছে।

মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত শাসকদের সঙ্গে কেন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইং এখনো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা এবং পরবর্তী গণ-অভ্যুত্থান দমনের পাশাপাশি ২০১৬-২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বিতাড়নের ঘটনায় তার ভূমিকার জন্যও তিনি নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছেন।

ইশরাককে ঘিরে বিএনপির অস্বস্তি কতটা গভীর?
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণা একটি তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক পরিণতি। কিন্তু এর তাৎপর্য নির্ভর করবে এরপর কী ঘটে তার ওপর। তিনি কি শুধু প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়বেন, নাকি দলীয় রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা আরও জোরালো করবেন?