
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সংশোধিত আকারে দুই বিল পাসের সুপারিশ
এতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, “গুমের পুনরাবৃত্তি চিরতরে বন্ধ করা, সত্য উদঘাটন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের প্রতিকার ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”
আজ রোববার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সালে এই জাতি একবার মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী রাতের অন্ধকারে মানুষকে তুলে নিয়ে যেত। বুদ্ধিজীবীদের অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছিল। বাঙালির স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বিচারহীন আটক, নির্যাতন ও নির্মম দমন চালানো হয়েছিল। সে দিনও রাষ্ট্রীয় শক্তি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে পদদলিত করেছিল। সে দিনও মায়েরা সন্তানের খোঁজে ঘুরেছেন। অনেক পরিবার আর কখনো তাদের প্রিয়জনকে ফিরে পায়নি।”
তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনা পরবর্তী প্রজন্মকে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে যে দীর্ঘ সংগ্রাম চলেছে, তা এই চেতনা থেকেই শক্তি নিয়েছে। কারণ অত্যাচারের ধরন একই ছিল।”
ইশরাক হোসেন বলেন, “দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই ফ্যাসিবাদী শাসনে দুই হাজারেরও বেশি মানুষকে অবৈধভাবে তুলে নেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, ছাত্র- যারাই প্রতিবাদ করেছিলেন, তাদের অনেককে রাতের আঁধারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শত শত মানুষ আর কখনো বাড়ি ফেরেননি। তাদের ভাগ্য আজও অজানা।”
তিনি বলেন, “আমরা শুধু গুম হওয়া মানুষদের স্মরণ করতে আসিনি। আমরা এসেছি তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং রাষ্ট্রের কাছে জবাব পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করতে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গুম শুধু একটি অপরাধ নয়। গুম হলো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর রূপ। মানুষকে আইনের আওতার বাইরে নিয়ে যাওয়া, তার অস্তিত্ব অস্বীকার করা এবং পরিবারগুলোকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে রাখা- এটা ১৯৭১ এর হানাদার বাহিনীর পদ্ধতিরই পুনরাবৃত্তি। তখনও মানুষকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হত। পরে গোপন কক্ষে, আয়নাঘরে মানুষকে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছিল। তখনও প্রতিবাদী কণ্ঠকে স্তব্ধ করা হয়েছিল। সত্য বলার সাহসকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জাতিসংঘের গুমবিরোধী সনদে যোগ দিয়েছে। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য আইন প্রণয়নের কাজ জাতীয় সংসদে এগোচ্ছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সত্য উদঘাটিত হবে, দায়ীরা বিচারের মুখোমুখি হবেন এবং এমন অন্ধকার আর ফিরে আসতে পারবে না।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, “চাহিদা অনুযায়ী দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। কৃষকদের সঠিকভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীতিমালা অনুযায়ী সার সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে।”আজ রোববার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নে

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বক্তাদের অংশগ্রহণে নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় (এফসিসি) ইউরোপ-এশিয়া সম্পর্কবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়েছে। ‘কিছু বিতর্কের’ কথা উল্লেখ করে অনুষ্ঠানটি না করার নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ।

গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।