চরচা ডেস্ক

বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করলে পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক মনে হয়। একটি শক্তিধর দেশ প্রায় চার বছর ধরে তার প্রতিবেশীকে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে রক্তক্ষয়ী অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ মধ্যপ্রাচ্যে বোমাবর্ষণে ব্যস্ত। যদিও এর মধ্যে ইসরায়েল নিজেকে পারমাণবিক শক্তি হিসেবে স্বীকারই করে না।
ওইদিকে পারমাণবিক শক্তিধর আরও দুই দেশ গত এক বছর ধরেই সীমান্তে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে, যা তাদের তিক্ত বিভক্তির ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। পারমাণবিক শক্তিধরদের নতুন সদস্য হিসেবে পরিচিত উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক রহস্যময় শক্তি। আর তার বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দেশটি ‘শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণ’-এর ছদ্মবেশে পাশের এক গণতান্ত্রিক দ্বীপে আক্রমণের পরিকল্পনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সবশেষে রয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স যারা হাজার বছরের পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ইদানিং তাদের মধ্যে পনির আমদানি নিয়ে ছোটখাটো বিরোধ রয়েছে।

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অস্থির পৃথিবীতে ইউরোপ যেন এক ভিন্ন চরিত্র। অনেকের চোখে ইউরোপ দুর্বল। ইউরোপের ক্ষমতা ছড়িয়ে আছে অসংখ্য জাতীয় সরকারের মধ্যে, যারা প্রায়ই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হিমশিম খায়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ধীরগতির এবং সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে-এ কথাও অস্বীকার করা যায় না।
তবে বিশ্বে এমন শক্তিধর দেশের সংখ্যা কমে যাচ্ছে যারা বড় ধরনের ক্ষতি করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বিরত থাকে। এই তালিকায় ইউরোপ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
ইউরোপের ‘সরলতা’ নাকি নীতির প্রতি অনড়তা?
ইউরোপকে প্রায়ই সরল বলে সমালোচনা করা হয়। এর কারণ তারা কিছু মৌলিক নীতিতে বিশ্বাস ধরে রাখতে চায়-জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, বৈশ্বিক উত্তেজনা কমানো, স্বৈরশাসকদের জবাবদিহি, মুক্ত বাণিজ্য, দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তা।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি ইউরোপের এমন নিয়ম ও নীতির প্রতি বিশ্বাস রাখা ‘পাপ’ হয়, তবে পৃথিবীতে এমন পাপীর সংখ্যা আরও বাড়া উচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়কার নীতির তুলনায় ইউরোপ অনেক বেশি পূর্বানুমানযোগ্য। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতি বা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের স্বৈরশাসনের তুলনায়ও ইউরোপ ভিন্ন।
আজকের বিশ্বে যখন অরাজকতা ক্রমেই বাড়ছে, তখন ইউরোপের তুলনামূলক স্থিরতা নিজেই এক ধরনের প্রতিবাদ। জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইউরোপ এখনও বিশ্বাস করে যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়মভিত্তিক হওয়া উচিত।

বর্তমানে অনেকেই মনে করেন মধ্যম শক্তিধর দেশগুলো বৈশ্বিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। এর অর্থ হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মডেলকে আরও বিস্তৃত করা।
ইউরোপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া অনেক সময় ধীরগতির। আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট একবার মজা করে বলেছিলেন, ইউরোপের প্রতিটি সংকটের উত্তর হলো একটি নতুন ইউরোপীয় ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করা।
কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় যুদ্ধের চেয়ে আলোচনা সভাই বেশি ফলপ্রসূ হয়। দীর্ঘ আলোচনা, সম্মেলন ও সমঝোতার মাধ্যমে ইউরোপ যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা সাধারণত যুক্তিযুক্ত এবং গ্রহণযোগ্য হয়।
ইউরোপের ব্যবস্থায় ক্ষমতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়িয়ে আছে। ফলে তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা কম। এতে সময় বেশি লাগে, কিন্তু ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকিও কম থাকে।
তবে ইউরোপ পুরোপুরি নির্দোষ নয়। তারা একদিকে মানবাধিকারের কথা বলে, অন্যদিকে বিতর্কিত সরকারগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করে। আবার অনেক সময় অভিবাসন ঠেকাতে কিছু স্বৈরশাসক সরকারের সঙ্গে সহযোগিতাও করে।
রাশিয়া প্রতিবেশী দেশ আক্রমণ করার পরও দীর্ঘদিন ইউরোপ তার কাছ থেকে গ্যাস কিনেছে। উপনিবেশবাদী অতীতের জন্যও ইউরোপকে এখনও সমালোচনা সহ্য করতে হয়।
১৯৯০-এর দশকে বলকান যুদ্ধ থামাতে ইউরোপ দেরি করেছিল। তবে ইউক্রেন যুদ্ধে তারা শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনকে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করছে ইউরোপই, যা রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রকে দুর্বল করছে।
অন্যদিকে চীন ও ভারত সস্তা রুশ তেল কিনে লাভবান হয়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনকে অর্থনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখেছে।
দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সুরক্ষার ওপর নির্ভর করায় ইউরোপ নিজের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পিছিয়ে পড়েছে। ফলে এখন এমন এক বিশ্বে তাদের টিকে থাকতে হচ্ছে, যা তারা নিজেদের আদর্শে গড়ে তুলতে পারেনি।
তবু একটি সত্য অস্বীকার করা যায় না বিশ্বে অনেক শক্তি আছে যারা সমস্যার সৃষ্টি করে। ইউরোপের দুর্বলতা থাকতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু সাধারণত সংকটের উৎস হিসেবে ইউরোপকে খুব কমই দেখা যায়।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, এমন একটি শক্তির মূল্য রয়েছে যে শক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে নিয়মকানুনের বইকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করলে পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক মনে হয়। একটি শক্তিধর দেশ প্রায় চার বছর ধরে তার প্রতিবেশীকে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে রক্তক্ষয়ী অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ মধ্যপ্রাচ্যে বোমাবর্ষণে ব্যস্ত। যদিও এর মধ্যে ইসরায়েল নিজেকে পারমাণবিক শক্তি হিসেবে স্বীকারই করে না।
ওইদিকে পারমাণবিক শক্তিধর আরও দুই দেশ গত এক বছর ধরেই সীমান্তে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে, যা তাদের তিক্ত বিভক্তির ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। পারমাণবিক শক্তিধরদের নতুন সদস্য হিসেবে পরিচিত উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক রহস্যময় শক্তি। আর তার বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দেশটি ‘শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণ’-এর ছদ্মবেশে পাশের এক গণতান্ত্রিক দ্বীপে আক্রমণের পরিকল্পনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সবশেষে রয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স যারা হাজার বছরের পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ইদানিং তাদের মধ্যে পনির আমদানি নিয়ে ছোটখাটো বিরোধ রয়েছে।

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অস্থির পৃথিবীতে ইউরোপ যেন এক ভিন্ন চরিত্র। অনেকের চোখে ইউরোপ দুর্বল। ইউরোপের ক্ষমতা ছড়িয়ে আছে অসংখ্য জাতীয় সরকারের মধ্যে, যারা প্রায়ই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হিমশিম খায়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ধীরগতির এবং সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে-এ কথাও অস্বীকার করা যায় না।
তবে বিশ্বে এমন শক্তিধর দেশের সংখ্যা কমে যাচ্ছে যারা বড় ধরনের ক্ষতি করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বিরত থাকে। এই তালিকায় ইউরোপ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
ইউরোপের ‘সরলতা’ নাকি নীতির প্রতি অনড়তা?
ইউরোপকে প্রায়ই সরল বলে সমালোচনা করা হয়। এর কারণ তারা কিছু মৌলিক নীতিতে বিশ্বাস ধরে রাখতে চায়-জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, বৈশ্বিক উত্তেজনা কমানো, স্বৈরশাসকদের জবাবদিহি, মুক্ত বাণিজ্য, দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তা।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি ইউরোপের এমন নিয়ম ও নীতির প্রতি বিশ্বাস রাখা ‘পাপ’ হয়, তবে পৃথিবীতে এমন পাপীর সংখ্যা আরও বাড়া উচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়কার নীতির তুলনায় ইউরোপ অনেক বেশি পূর্বানুমানযোগ্য। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতি বা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের স্বৈরশাসনের তুলনায়ও ইউরোপ ভিন্ন।
আজকের বিশ্বে যখন অরাজকতা ক্রমেই বাড়ছে, তখন ইউরোপের তুলনামূলক স্থিরতা নিজেই এক ধরনের প্রতিবাদ। জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইউরোপ এখনও বিশ্বাস করে যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়মভিত্তিক হওয়া উচিত।

বর্তমানে অনেকেই মনে করেন মধ্যম শক্তিধর দেশগুলো বৈশ্বিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। এর অর্থ হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মডেলকে আরও বিস্তৃত করা।
ইউরোপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া অনেক সময় ধীরগতির। আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট একবার মজা করে বলেছিলেন, ইউরোপের প্রতিটি সংকটের উত্তর হলো একটি নতুন ইউরোপীয় ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করা।
কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় যুদ্ধের চেয়ে আলোচনা সভাই বেশি ফলপ্রসূ হয়। দীর্ঘ আলোচনা, সম্মেলন ও সমঝোতার মাধ্যমে ইউরোপ যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা সাধারণত যুক্তিযুক্ত এবং গ্রহণযোগ্য হয়।
ইউরোপের ব্যবস্থায় ক্ষমতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়িয়ে আছে। ফলে তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা কম। এতে সময় বেশি লাগে, কিন্তু ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকিও কম থাকে।
তবে ইউরোপ পুরোপুরি নির্দোষ নয়। তারা একদিকে মানবাধিকারের কথা বলে, অন্যদিকে বিতর্কিত সরকারগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করে। আবার অনেক সময় অভিবাসন ঠেকাতে কিছু স্বৈরশাসক সরকারের সঙ্গে সহযোগিতাও করে।
রাশিয়া প্রতিবেশী দেশ আক্রমণ করার পরও দীর্ঘদিন ইউরোপ তার কাছ থেকে গ্যাস কিনেছে। উপনিবেশবাদী অতীতের জন্যও ইউরোপকে এখনও সমালোচনা সহ্য করতে হয়।
১৯৯০-এর দশকে বলকান যুদ্ধ থামাতে ইউরোপ দেরি করেছিল। তবে ইউক্রেন যুদ্ধে তারা শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনকে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করছে ইউরোপই, যা রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রকে দুর্বল করছে।
অন্যদিকে চীন ও ভারত সস্তা রুশ তেল কিনে লাভবান হয়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনকে অর্থনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখেছে।
দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সুরক্ষার ওপর নির্ভর করায় ইউরোপ নিজের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পিছিয়ে পড়েছে। ফলে এখন এমন এক বিশ্বে তাদের টিকে থাকতে হচ্ছে, যা তারা নিজেদের আদর্শে গড়ে তুলতে পারেনি।
তবু একটি সত্য অস্বীকার করা যায় না বিশ্বে অনেক শক্তি আছে যারা সমস্যার সৃষ্টি করে। ইউরোপের দুর্বলতা থাকতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু সাধারণত সংকটের উৎস হিসেবে ইউরোপকে খুব কমই দেখা যায়।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, এমন একটি শক্তির মূল্য রয়েছে যে শক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে নিয়মকানুনের বইকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

এই আলাপ সামনে আনা যেতে পারে যে, পাকিস্তানের সাথে পুনঃসংযোগ হয়ত কেবল ভারতকে হাসিনার অবস্থার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা বা আলোচনার জন্য চাপ দেওয়ার একটি কৌশল হতে পারে, যার বিনিময়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং পাকিস্তানের সাথে গভীরতর সম্পর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।

ট্রাম্পের রাজনীতির একটি বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিষ্ঠিত কাঠামো ভেঙে দেওয়া, তারপর পরিস্থিতি যেদিকে যায় তা দেখে কোনো না কোনোভাবে বিজয় ঘোষণা করা। মধ্যপ্রাচ্যের মতো জটিল অঞ্চলে এই কৌশল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মিত্রদের জন্যও তা অনুমান করা কঠিন।

র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া বালেন শাহর রাজনৈতিক দল ‘রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি’ (আরএসপি) নেপালের সাধারণ নির্বাচনে এক বিশাল বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সহিংস ‘জেন জি’ আন্দোলনের পর এটিই ছিল নেপালের প্রথম নির্বাচন। নির্বাচনে বালেন শাহ’র দল দেশটির প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য চুরমার কর