Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

দিল্লিতে বোমা হামলা যে বার্তা দেয়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১১: ২২
দিল্লিতে বোমা হামলা যে বার্তা দেয়

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই গত মে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি নতুন সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী মতবাদ ঘোষণা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি ভারতে সন্ত্রাসী হামলা হয়, তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।’’

Advertisement

এ কারণে গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কিল্লার বাইরে একটি গাড়ি বিস্ফোরণে অন্তত আটজন নিহত এবং ২০ জন আহত হওয়ার পর নতুন করে উদ্বেগ বাড়ে। তবে আপাতত আরেকটি যুদ্ধের ঝুঁকি কম।

বিস্ফোরণটি ওই দিন সকালে দিল্লির কাছে ফরিদাবাদে ভারতীয় পুলিশের বানচাল করা একটি ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ সেখানে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম আবিষ্কার করে। সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ জানায়, তারা পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম) এবং কাশ্মীরের আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট সংগঠন আনসার গাজওয়াতুল-হিন্দের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সন্ত্রাসী দলের অংশ ছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দিল্লিতে বিস্ফোরিত গাড়িটির মালিক উমর উন-নবী নামে একজন ডাক্তার, যিনি ওই অভিযান থেকে পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানায়, ষড়যন্ত্রকারীরা পাকিস্তান-সমর্থিত গোষ্ঠীর নির্দেশে কাজ করছে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, ভারতীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতারা প্রকাশ্যে এই অভিযোগটি একবারও বলেননি।

সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিস্ট বলছে, এপ্রিলে কাশ্মীরে যে হত্যাকাণ্ডের কারণে মে মাসে সংঘর্ষ হয়েছিল, তার বিপরীতে এই হামলায় জড়িতরা পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের পরিবর্তে ভারতীয় নাগরিক বলে মনে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করা একজন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ এই হামলার প্লটকারীদের আল-কায়েদা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদ উভয়ের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেন। কারণ এই দুটি দলের আদর্শ আলাদা। তিনি বলেন, আল-কায়েদা ভারতে দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্বহীন। জইশ-ই-মোহাম্মদ আল-কায়েদাকে সহযোগী নয় বরং প্রতিযোগী হিসেবে দেখে।

এ ছাড়া ২০১০-এর দশকে সক্রিয় থাকা ভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন বর্তমানে নিষ্ক্রিয়। এর সমর্থকরা নেটওয়ার্কের বাইরে চলে গেছে।

গত এক দশকে ভারতের বড় শহরগুলোতে সন্ত্রাসবাদ বিরল ছিল। গত বছর ব্যাঙ্গালোরের একটি ক্যাফেতে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর একটি বোমা হামলা ছিল দীর্ঘদিন পর এই ধরনের প্রথম আক্রমণ। দিল্লিতে শেষ বড় হামলা হয়েছিল ২০১১ সালে। তখন একটি ব্রিফকেস বোমা হামলায় ১৫ জন নিহত হয়।

সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টালের পরিচালক অজয় সাহনি বলেন, সম্ভাব্য সন্ত্রাসীরা কাশ্মীরের বাইরে কাজ করা সহজ মনে করতে পারে। কারণ সেখানে তারা আইন প্রয়োগকারী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তীব্র চাপের মুখে পড়ে।

১৯৯০ এবং ২০০০-এর দশকে সন্ত্রাসী সহিংসতার বেড়ে গিয়েছিল। এবার সেই ধারা শুরু হয়নি বলে জানান এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, সেই সময়ে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী ছিল এবং রাষ্ট্র দুর্বল ছিল। এখন পরিস্থিতি উল্টো।

ষড়যন্ত্রকারীদের উৎস, তাদের পরিকল্পনা বানচাল হওয়া এবং মোদির পূর্বনির্ধারিত ভুটান সফর চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত—সবকিছুই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন পাকিস্তান আক্রমণ করার ঝুঁকি নেবে না। যদি না বিদেশ থেকে নির্দেশনার নতুন প্রমাণ পাওয়া যায়।

তবুও, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এখনও অস্থির। ১১ নভেম্বর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়। পাকিস্তানি তালেবান দায় স্বীকার করেছে।

এ বছর বিভিন্ন হামলায় ১৬০০ জনের বেশি পাকিস্তানি বেসামরিক এবং সেনা নিহত হয়েছে, যা এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বাজে হামলার ইঙ্গিত। পাকিস্তানি নেতারা সর্বশেষ হামলার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে দায়ী করেছেন। তবে ভারত এই দাবিকে ‘প্রলাপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

বিষয়: পাকিস্তানহামলাভারত পাকিস্তান যুদ্ধদিল্লিভারতসন্ত্রাসীএশিয়া
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

  • ২

    নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • ৩

    উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা

  • ৪

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

  • ৫

    নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

    ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘিরে দলের ভেতরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। আহ্বায়ক বা সভাপতি পদে সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বের একাধিক নেতার নাম যেমন আলোচনায় আছে, তেমনি সদস্য সচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদেও তৈরি হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণ। সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হককে আবার নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনার

  • মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে আন্দোলন দমনে ব্যাপক ধরপাকড়, পুলিশি সহিংসতা এবং আধাসামরিক বাহিনীর বিপুল উপস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী নেতৃত্ব, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির

  • মানুষ ঝুঁকছে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে, সাইবার ঝুঁকি ঠেকানোর কী প্রস্তুতি ব্যাংকগুলোর?

    মানুষ ঝুঁকছে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে, সাইবার ঝুঁকি ঠেকানোর কী প্রস্তুতি ব্যাংকগুলোর?

    দেশের ব্যাংক খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দ্রুত বাড়লেও সেই তুলনায় সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ছে না। ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বাজেটের বড় অংশ যাচ্ছে ভৌত অবকাঠামো ও সফটওয়্যারে। এর বিপরীতে সাইবার নিরাপত্তা, আইটি অডিট ও কর্মীদের প্রশিক্ষণে বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম।

  • মক্কা চুক্তি ইসরায়েলকে বাইরে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে

    মক্কা চুক্তি ইসরায়েলকে বাইরে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে

    মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলার মুখে রিয়াদ এই চুক্তির সামরিক কার্যকারিতা সক্রিয় করেছে।