
এই নীতি জারি করার পর থেকে এবং প্রযুক্তি খাতের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির ফলে ট্রাম্পের অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তা দেখা গেছে। তিনি এই দাবি অস্বীকার করেন যে, আমেরিকাতে পর্যাপ্ত মেধাবী মানুষ থাকার দাবি অস্বীকার করেন। ট্রাম্প মনে করেন, নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য এখনো বিদেশি কর্মী আনার প্রয়োজন আছে।

জুন মাসের প্রথম দিক থেকে এ অবধি ৪০ লাখের বেশি বিদেশি নাগরিকের জন্য ওমরাহর ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি সরকার।

ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি বিশেষ করে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জটিলতা বাড়ার পর ভারতীয়দের মধ্যে আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশি শতকরা ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরিবারের সদস্যকে ডেনমার্ক নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সকল নথিপত্র কিংবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে তবে সেক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতা বা বাকি কাগজগুলো দেখাতে হবে।