চরচা ডেস্ক

উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জনপ্রিয় একটি গন্তব্য ডেনমার্ক। তবে দেশটির সরকারের অভিযোগ, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার বাইরে দেশটিতে বসবাসের সুযোগকে শ্রমবাজারে ঢোকার দরজা হিসেবে ব্যবহার করছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ডেনমার্কের অভিবাসন ও অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, “দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার অন্যতম কারণ ডেনমার্কের আকর্ষণীয় শ্রম বাজার।”
ডেনমার্ক সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া তৃতীয় দেশের নাগরিকদের জন্য ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ কঠিন হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার শর্ত কঠোর করা হবে এবং তৃতীয় দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবারের সদস্য নিয়ে আসা বাতিল করা হবে।
তবে এসকলের মধ্যে জটিল শর্তটি হচ্ছে তৃতীয় দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের পড়াশোনার বড় অংশ প্রথমেই ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিশোধ করতে হবে।
ডেনমার্ক তার নিজের দেশের বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আর কয়েকটি দেশকে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে হিসেবে আখ্যা দেয়। এর বাইরে অন্য দেশগুলোকে ডেনমার্ক তৃতীয় দেশ দেশ বলে।
ডেনমার্কে মাস্টার্স সমমান ডিগ্রির সম্পূর্ণ টিউশন ফি পরিশোধ করতে হয় এবং খুব কমক্ষেত্রেই ডেনিশ বৃত্তি সুবিধা পান তৃতীয় দেশের নাগরিকেরা। ডেনিশ সরকারের জরিপে দেখা গেছে, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথাক্রমে ১ এবং ২ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরিবারের সদস্যদের ডেনমার্কে নিয়ে এসেছেন। তবে বাংলাদেশি শতকরা ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরিবারের সদস্যকে ডেনমার্ক নিয়ে এসেছে।
ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সহয়তা দেবে ডেনমার্কের ন্যাশনাল আইডি সেন্টার। উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ডেনমার্কে ভুয়া সনদধারী কোনো শিক্ষার্থী যেন থাকার কোন সুযোগ না পান। পরবর্তীতে কোনো তৃতীয় দেশ যেমন, বাংলাদেশ কিংবা নেপালের শিক্ষার্থী ভুয়া সনদ দেখিয়ে ডেনমার্কে অবস্থান করতে চাইলে বাধা দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জনপ্রিয় একটি গন্তব্য ডেনমার্ক। তবে দেশটির সরকারের অভিযোগ, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার বাইরে দেশটিতে বসবাসের সুযোগকে শ্রমবাজারে ঢোকার দরজা হিসেবে ব্যবহার করছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ডেনমার্কের অভিবাসন ও অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, “দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার অন্যতম কারণ ডেনমার্কের আকর্ষণীয় শ্রম বাজার।”
ডেনমার্ক সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া তৃতীয় দেশের নাগরিকদের জন্য ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ কঠিন হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার শর্ত কঠোর করা হবে এবং তৃতীয় দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবারের সদস্য নিয়ে আসা বাতিল করা হবে।
তবে এসকলের মধ্যে জটিল শর্তটি হচ্ছে তৃতীয় দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের পড়াশোনার বড় অংশ প্রথমেই ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিশোধ করতে হবে।
ডেনমার্ক তার নিজের দেশের বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আর কয়েকটি দেশকে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে হিসেবে আখ্যা দেয়। এর বাইরে অন্য দেশগুলোকে ডেনমার্ক তৃতীয় দেশ দেশ বলে।
ডেনমার্কে মাস্টার্স সমমান ডিগ্রির সম্পূর্ণ টিউশন ফি পরিশোধ করতে হয় এবং খুব কমক্ষেত্রেই ডেনিশ বৃত্তি সুবিধা পান তৃতীয় দেশের নাগরিকেরা। ডেনিশ সরকারের জরিপে দেখা গেছে, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথাক্রমে ১ এবং ২ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরিবারের সদস্যদের ডেনমার্কে নিয়ে এসেছেন। তবে বাংলাদেশি শতকরা ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরিবারের সদস্যকে ডেনমার্ক নিয়ে এসেছে।
ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সহয়তা দেবে ডেনমার্কের ন্যাশনাল আইডি সেন্টার। উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ডেনমার্কে ভুয়া সনদধারী কোনো শিক্ষার্থী যেন থাকার কোন সুযোগ না পান। পরবর্তীতে কোনো তৃতীয় দেশ যেমন, বাংলাদেশ কিংবা নেপালের শিক্ষার্থী ভুয়া সনদ দেখিয়ে ডেনমার্কে অবস্থান করতে চাইলে বাধা দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।