যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আবার রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি। আসলে সেখানে কী হচ্ছে তার বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

গ্যালাপের প্রতিবেদন
প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতায় পিছিয়ে থাকলেও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় বাংলাদেশের ৯০ ভাগের বেশি মানুষ ‘সন্তুষ্ট’ বলে আন্তর্জাতিক এক জরিপে উঠে এসেছে।

বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ইনকিলাব মঞ্চের যুক্তরাজ্য শাখা। গত বৃহস্পতিবার তাদের এই যাত্রা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর দমন পীড়নের চক্র ভেঙে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তার বেতার ভাষণ জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছিল।

এখানে ধর্ম, ভাষা ও জাতিসত্তার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক ভূখণ্ডকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হয়েছে। শহীদ জিয়ার এই সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী কথাগুলোই আজ যেন আমাদের পথ চলার প্রেরণার উৎস।

কিউআরএস টিমের সদস্যরা হলেন–চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান, সাংবাদিক আজিজুল পারভেজ, আফরোজা সোমা, মিডিয়া এন্ড জেন্ডার গবেষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সারাবান তহুরাসহ আরও অনেকে।

শরীফুল আলম বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকে যদি একটু হিসাব করি, অনেক সরকার এসেছে। কিন্তু প্রান্তিক-সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে বিগত সরকারগুলোকে খুব বেশি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখিনি। আমরা ব্যস্ত থাকি যারা প্যান্ট পরা মানুষ, আমরা যারা শিক্ষিত উচ্চতর মানুষ, আমরা সেখানে বেশি নজর দেই।”

অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়েও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় কেন উগান্ডার পেছনে বাংলাদেশ? যে উগান্ডাকে নিয়ে আমরা ট্রল করি, সূচকের বিচারে তারাই এখন আমাদের চেয়ে এগিয়ে। এই পরিস্থিতির পেছনের আসল কারণ কী?

মুক্তিযুদ্ধে ছেলে রুমীর আত্মত্যাগ এবং নিজের অবদানের কারণে তিনি আখ্যায়িত হয়েছিলেন ‘শহীদ জননী’ হিসেবে।

আরএসএফের প্রতিবেদন
বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এই বৈশ্বিক অবনতির তালিকায় বাংলাদেশও। ২০২৬ সালের সূচকে গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৫২তম।

বিবৃতি প্রদানকারী ১৭ জন নাগরিক অবিলম্বে রানী য়েন য়েনের ওপর থেকে এই ‘হয়রানিমূলক’ চিঠি প্রত্যাহার এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা রোধে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বিমূর্ত মনে হতে পারে। কিন্তু এর অবক্ষয় দৃশ্যমান হয় যুদ্ধে, সামরিক অভ্যুত্থানে, বিতর্কিত নির্বাচনে এবং বিশ্বজুড়ে নাগরিক স্বাধীনতায় কাটছাঁটে। দ্য ইকোনমিস্টের সহযোগী সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ ২০০৬ সাল থেকে সেই পতন পর্যবেক্ষণ করে আসছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন,“টেলিভিশনের টকশো আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে। আরও বেশি বিভ্রান্ত করবে সোশ্যাল মিডিয়া, যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন,“টেলিভিশনের টকশো আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে। আরও বেশি বিভ্রান্ত করবে সোশ্যাল মিডিয়া, যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।”